কলকাতা: দাপুটে ফুটবলের মধ্য দিয়ে আইএসএল শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল ( East Bengal) ক্লাব। প্রথমেই তাঁরা পরাজিত করেছিল হুয়ান পেদ্রো বেনালির নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে পরাজিত করেছিল মশাল ব্রিগেড। দ্বিতীয় ম্যাচে টমাস টর্চজের কেরালা ব্লাস্টার্সের বিপক্ষেও সেই ধারাবাহিকতা থাকলেও তৃতীয় ম্যাচ থেকেই ছন্দপতন হতে শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গলের। তারপর কেটে গিয়েছে আরও দুইটি ম্যাচ। ইতিমধ্যেই দল খেলে ফেলেছে এফসি গোয়া এবং কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচ। উভয় দলের বিরুদ্ধে লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল আনোয়ার আলিদের।
Read More: মহামেডান ম্যাচের আগে দল নিয়ে মুখ খুললেন প্রভসুখান, আশাবাদী অস্কার
সেই নিয়ে যথেষ্ট হতাশ সমর্থকরা। একটা সময় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে দল থাকলেও বর্তমানে অনেকটাই নেমে আসতে হয়েছে তাঁদের। যার প্রভাব দেখা দিয়েছে মাঠের মধ্যে। গত কেরালা ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করার পর উত্তাল হয়ে উঠেছিল লাল-হলুদ গ্যালারি। ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল সমর্থকদের একটা বিরাট অংশকে। সকলের আশা আগামীকালের এই ডার্বিতে হয়তো জয় ছিনিয়ে নিয়ে টেবিলের উপরের দিকে উঠে আসবে তাঁদের প্রিয় ইস্টবেঙ্গল। রবিবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকের উপস্থিতি থেকে সমর্থকদের প্রসঙ্গে কোচ বলেন, ‘সমর্থকরা সর্বদা দলের পাশে থেকেছে। আমরা বুঝি যে প্রতিটি ধাক্কা বিশেষ করে ঘরের মাঠে তাঁদের জন্য অত্যন্ত হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’
Read More: রবির সন্ধেতে হঠাৎ অজিত দোভালকে নিয়ে গোল টেবিলে কেন মোদী
আরও বলেন, ‘ আমাদের লক্ষ্য এবং করণীয় হলো এমন একটি পারফরম্যান্স উপহার দেওয়া, যা নিয়ে সমর্থকরা গর্ববোধ করতে পারেন। দলের ভেতরে আমরা যা করছি তা হলো অদম্য মানসিকতা, সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং অফুরন্ত উদ্দীপনা নিয়ে লড়াকু মানসিকতা। যাতে আমরা সবাইকে দেখিয়ে দিতে পারি যে, আমরা লড়াই করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। আমরা যদি তা করতে পারি, তবে সমর্থকরা নিশ্চিতভাবেই গর্বিত হবে।’




















