ঢাকা: ঢাকা থেকে ফের ভারত বিরোধী উস্কানিতে ছড়াল উত্তেজনা। (Shahriar Kabir)বাংলাদেশের জামায়াতপন্থী নেতা ও আইনজীবী শাহরিয়ার কবির সম্প্রতি এক জনসভায় বলেছেন, “যদি সীমান্তে একজন বাংলাদেশি বেসামরিক নাগরিক মারা যায়, তাহলে আমরা বদলা হিসেবে দুজন বিএসএফ জওয়ানকে হত্যা করব। আর যদি ১৮ কোটি বাংলাদেশি মুসলমান যুদ্ধ ঘোষণা করে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পালাবে!”
স্থানীয় সূত্র ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও থেকে জানা যায়, শাহরিয়ার কবির এই বক্তব্য দিয়েছেন সাম্প্রতিক সীমান্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা এবং অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে অনেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছেন। আবার অন্যদিকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাংলায় কোনও বাংলাদেশি থাকবে না। ডিটেক্ট ডিলিট এবং ডিপোর্টের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই নির্দেশ অনুযায়ী মালদহ, মুর্শিদাবাদ সহ সীমান্তবর্তী এলাকায় তৈরী হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টার বা একপ্রকার ডিটেনশন ক্যাম্প। অন্যদিকে বিএসএফ জওয়ানরাও দেশের সীমান্ত রক্ষায় দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও দেখুনঃ ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ বৃদ্ধ, এবার ED দপ্তরে হাজিরা ফ্ল্যাট মালিকের
এমন সময় এই ধরনের হুমকি কেবল ভারতীয় জওয়ানদের জীবনকে বিপন্ন করছে না, পুরো অঞ্চলে অশান্তির বীজ বপন করছে।পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর বাসিন্দারা এই বক্তব্য শুনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিজেপি নেতারা একে ‘পাকিস্তানি মানসিকতার প্রতিফলন’ বলে উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও বাংলার সরকার তাদের নির্দেশ এবং পদক্ষেপে অবিচল থাকবে বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে।
তাঁরা বলছেন, শাহরিয়ার কবিরের মতো নেতারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা ভারতের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতা নীরব থাকলেও, সাধারণ কর্মীরা মনে করছেন এই ধরনের বক্তব্য সীমান্তের শান্তি নষ্ট করবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিএসএফকে আরও সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো হামলার চেষ্টা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।




















