শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সরকারের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) (DA) ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি এবং অর্থনৈতিক চাপের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এই আলোচনা আরও জটিল ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন সরকার গঠনের পরপরই (DA) রাজ্য প্রশাসন একাধিক আর্থিক ও কাঠামোগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ দীর্ঘদিন ধরেই বেতন কাঠামো সংস্কারের দাবি জানানো হচ্ছিল। তবে এর মধ্যেও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হিসেবে থেকে যাচ্ছে বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘ ভাতার বিষয়টি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার শপথ নেওয়ার প্রায় দেড় সপ্তাহের মধ্যেই সপ্তম পে কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এটি একটি দ্রুত সিদ্ধান্ত, যা সরকারের আর্থিক পরিকল্পনা ও কর্মচারী বান্ধব মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। (DA) কিন্তু একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এখনও পর্যন্ত বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ফলে কর্মচারী মহলে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মতে, ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা দাবি এবার মেটানো না হলে অসন্তোষ বাড়তে পারে। অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের আর্থিক পরিকাঠামো ও বাজেট ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই দুই দিকের মধ্যে ভারসাম্য রাখাই এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।




















