ঝলসানো গরমে ২৪৬.১ গিগাওয়াটে পৌঁছল দেশে বিদ্যুতের চাহিদা, চাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা

অত্যাধিক গরমের দাপটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। সেই তীব্র গরমের কারণে বেড়ে চলেছে বিদ্যুতের চাহিদা। সেই চাহিদার পূরণ করতে গিয়ে চাপের সম্মুখীন হয়ে পড়ছে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি। সেই ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
ELECTRIC

অত্যাধিক গরমের দাপটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। সেই তীব্র গরমের কারণে বেড়ে চলেছে বিদ্যুতের চাহিদা। সেই চাহিদার পূরণ করতে গিয়ে চাপের সম্মুখীন হয়ে পড়ছে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি। সেই কারণেই দেশে বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছে গিয়েছে অধীক উচ্চতায়। বিশেষ সূত্র মারফৎ জানা যায় গত বুধবার অর্থাৎ ২৯ মে ২০২৪ দুপুর ৩ টে নাগাদ দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২৪৬.১ গিগাওয়াট। যা দেশে ঐতিহাসিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কারণ এর আগে এই পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়নি।

ঘটনা প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞেরা জানিয়েছেন,বিশেষ করে উত্তর ভারতে চলতে থাকা তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিপুল পরিমাণে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কারণেই এই রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে তবে কোনো  ভাবেই এই চাহিদা কমার সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তবে গত বুধবার অর্থাৎ ২৯ মে ২০২৪ তারিখ সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড করেছে দিল্লি। তবে ঐদিন দিল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

   

তবে বুধবারের আগে পর্যন্ত দেশে রেকর্ড হওয়া সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদার পরিমাণ ছিল ২৪২ গিগাওয়াট। যা ২০২৩ সালে শীর্ষে পৌঁছেছিল । গতকালই সেই রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা। চলতি বছরে মে মাসের শুরুতেই বিদ্যুতের চাহিদা ২৩৯ গিগাওয়াটের উচ্চতা অতিক্রম করল । এটি গত বছরের মে মাসের জন্য লক্ষ্যণীয় হওয়া সর্বাধিক বিদ্যুতের চাহিদার রেকর্ড ছিল। এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি রাজ্য়ও বিদ্যুতের চাহিদায় সর্বকালীন উচ্চতা রেকর্ড করেছে। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। উত্তর ভারতের এই রাজ্যটিতে বিদ্যুতের চাহিদা ২৮ গিগাওয়াট অতিক্রম করে গিয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google