দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে সকাল থেকেই নজরের কেন্দ্রবিন্দুতে ভবানীপুর। কলকাতার এই হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রে এবার মুখোমুখি হয়েছেন দুই রাজনৈতিক হেভিওয়েট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । স্বাভাবিকভাবেই ভোটের দিন ভোর থেকেই এলাকায় টানটান উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়। বিভিন্ন বুথের সামনে লম্বা লাইন, ভোটারদের উৎসাহ এবং রাজনৈতিক কর্মীদের তৎপরতায় ভবানীপুর(Suvendu Adhikari) যেন রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।
সকাল গড়াতেই বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর সামনে আসে। অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগে সরগরম হয়ে ওঠে রাজনীতি। কখনও শাসকদলের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে, আবার কখনও বিরোধীদের বিরুদ্ধে অশান্তি তৈরির অভিযোগ সামনে আসে। (Suvendu Adhikari) এই পরিস্থিতির মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একাধিকবার বিভিন্ন এলাকায় যেতে দেখা যায়। কোথাও তিনি দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন, কোথাও বা সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন। এমনকি এক কাউন্সিলরের বাড়িতেও তাঁকে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।
অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীকেও(Suvendu Adhikari) সকাল থেকেই বেশ সক্রিয় দেখা যায়। বিভিন্ন বুথ ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি, কোথাও কোনও অনিয়মের অভিযোগ উঠলেই তিনি সরাসরি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে দাবি করেন। একাধিক জায়গায় তাঁর সমর্থকদের বিক্ষোভও চোখে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা কমিশনের দায়িত্ব, এবং সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা উচিত। এই টানটান পরিস্থিতির মধ্যেই দুপুর নাগাদ নিজের জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “৮০ শতাংশ ভোট হলে আমি জিতব। ৯০ শতাংশ ভোট হলে কমফোর্টেবল মার্জিনে জিতব। ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড বাদে বাকি সব জায়গায় আমার লিড থাকবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। ভোটের হার এবং ফলাফলের মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র টেনে তিনি যে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন, তা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।




















