বুধবার রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হল CAA। (CAA)এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন আজ থেকে CAA তে ৭ টি শরণার্থী জনজাতি পাবে নাগরিকত্ব। এছাড়া অবৈধ অনুপ্রবেশকারী যারা তাদের চিহ্নিত করা হবে, তাদের নাম কাটা হবে এবং BSF র হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু।
দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বেহাল অবস্থা বাংলার। কখনও প্রধানমন্ত্রী আবার কখনও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় ভোট প্রচারে এসে বলে গিয়েছেন অনুপ্রবেশের কথা এবং বলেছেন কিভাবে অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে পাল্টে যাচ্ছে বাংলার ডেমোগ্রাফি। গত বছর ১৪.৫.২০২৫ তারিখে BSF র তরফ থেকে নির্দেশিকা আসে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের তাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।
আরও দেখুনঃ ২ সপ্তাহের মধ্যে BSF কে ২৭ কিমি জমি হস্তান্তর করল রাজ্য সরকার
কিন্তু প্রাক্তন সরকার এবং তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সেই নির্দেশে কর্ণপাত করেন নি। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন রাজ্যে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে CAA লাগু করা হচ্ছে এবং ৭ টি শরণার্থী সম্প্রদায়কে এই নাগরিকত্বের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাকি যারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী থাকবে তাদের চিহ্নিত করা হবে এবং BSF র হাতে তুলে দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন আগের সরকার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার বিরোধিতা করে যেমন তুষ্টিকরণের রাজনীতি করেছে ঠিক তেমনই শরণার্থীদের CAA তে অন্তর্ভুক্ত হতে দেয়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার কোনও তুষ্টিকরণের রাজনীতি করবে না। শরণার্থীরা নাগরিকত্ব পাবে এবং সেই সঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা বাংলার বাইরে যাবে। বলাবাহুল্য অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার আমলে দীর্ঘদন ধরেই এই নীতি চলে আসছে।
জমি দখলকারীদের উচ্ছেদ থেকে শুরু করে পুশব্যাক নীতিতে রাজ্যের হাল ফিরিয়েছেন তিনি। এবার সেই মন্ত্রে রাজ্য চালনা করার ভার নিয়েছেন শুভেন্দু। উত্তর প্রদেশের যোগী, অসমের হিমন্তের নীতির মিশেলে তিনি রাজ্য পরিচালনা করতে চাইছেন তা বলাই বাহুল্য। একদিকে সিন্ডিকেট রাজ্যের অবসান, অন্যদিকে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার কাজ। আবার আজকের অনুপ্রবেশ নিয়ে এই নির্দেশ নিঃসন্দেহে রাজ্যের মানুষের ভরসা ফেরাবে এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।




















