Kolkata, April 25: এই মরসুমের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে ফেলল পাঞ্জাব কিংস। ২৬৪ রান তাড়া করা মুখের কথা নয়। সেটাও করে দেখাল শ্রেয়স বাহিনী। আর এই জয়ের মধ্য দিয়ে বার্তা দিল, তারা এবছর শিরোপা জয় করেই মাঠ ছাড়বে। আজ দিল্লির বিরুদ্ধে ৭ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে ম্যাচটি জিতেছে পঞ্জাব।
এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নামে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২৬৪ রানের বিশাল পাহাড় তৈরি করে লোকেশ রাহুলরা। এই বড় রানের কান্ডারী দুই আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান। কে এল রাহুল ও নীতীশ রানা। রাহুল এদিন ৬৭ বলে ১৫২ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলেন। প্রথম থেকেই মারকুটে মেজাজে ব্যাট করেন। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ১৬টি চার ও ৯টি ছয়। তাঁর সতীর্থ নীতীশ রানা করেন ৪৪ বলে ৯১ রান। ১১টি বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারিতে সাজানো তাঁর ইনিংস।
এছাড়া পাথুম নিসঙ্কা ১১ রান করেই আউট হন এবং ডেভিড মিলার মাত্র ৩ রান করার সুযোগ পান। দিল্লির ব্যাটিংয়ের নিরিখে পঞ্জাবের বোলিং ছিল একেবারেই নিষ্প্রভ। ১টি করে উইকেট নেন অর্শদীপ সিং ও জেভিয়ার বার্টলেট। প্রত্যেক বোলার ওভারের অনুযায়ী বেশি রান দেন। কিছুতেই নীতীশ রানাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি যুজবেন্দ্র চাহালরা।
পঞ্জাব কিংস ব্যাটিং ইনিংসের শুরুতে মনে হয়েছিল এই বিরাট রান পঞ্জাব তাড়া করে জিততে পারবে না। কিন্তু ধীরে ধীরে খেলা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে করে নেয় প্রীতি জিন্টার ফ্রাঞ্চাইজি। এত বড় রান তাড়া করতে কোনো ব্যাটসম্যানকে শতরানের গন্ডিও পার করতে হয়নি। ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য ১৭ বলে ৪৩ করে সাজঘরে ফেরেন। আরেক ওপেনার প্রভসিমরন সিং ২৬ বলে ৭৬ রানের একটি দুরন্ত ইনিংস খেলেন। অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার ৩৬ বলে ৭১ রানের অবদান রান রাখেন। এছাড়া নেহাল ওয়াধেরা (২৫), কুপার কনোলি (১৭), শশাঙ্ক সিং (১৯) অবদান রাখেন।
পক্ষান্তরে, দিল্লি ক্যাপিটালস বোলারদের পারফরম্যান্স যথেষ্ট ছিল না। ২টি উইকেট পান কুলদীপ যাদব। ১টি করে উইকেট শিকার করেন অক্ষর প্যাটেল, ভিপ্রাজ নিগম। এছাড়া সকলে ব্যর্থ। ওভারের তুলনায় অতিরিক্ত রান দিয়েছেন বোলাররা। তাঁদের ব্যর্থতায় এই ম্যাচ হেরে গিয়েছে দিল্লি।




















