Home Politics ‘সবাই খেতে পারতে পাক বামেরাই চাইনা!’ হকার উচ্ছেদ নিয়ে বিস্ফোরক তথাগত

‘সবাই খেতে পারতে পাক বামেরাই চাইনা!’ হকার উচ্ছেদ নিয়ে বিস্ফোরক তথাগত

tathagata-roy-hawker-remark-left-politics-kolkata

কলকাতা: বামেরা আসলে দ্বিচারিতায় ভরা। হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেও তারা বাংলায় হকার শ্রেণীর মানুষই চায় (Tathagata Roy)। এমনটাই বলেছেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়। তথাগত তার ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট বলেছেন মানুষ যেদিন থেকে সভ্য হয়েছে সেদিন থেকে প্রত্যেকটি জায়গার নির্দিষ্ট ব্যবহার শিখেছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেছেন মানুষ যে থালায় খায়, সেই থালায় মলত্যাগ করে না। সুতরাং ফুটপাথ নামক যে বস্তুটি তাতে মানুষ চলাফেরা করতে পারে, ফুটপাত কখনোই হকার বসানোর জায়গা নয়।

- Advertisement -

সম্প্রতি বিজেপি সরকারের কড়া পদক্ষেপে ফুটপাতে বসা ব্যবসায়ীদের তুলে দিয়ে ফুটপাত খালি করছে। আর এই উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদ করছে বাম নেতারা। বাম নেতাদের উদ্দেশ্য করে তথাগত বলেছেন “গরীব’, ‘খেটে-খাওয়া’, ‘পিছিয়ে-পড়া’, ‘ক্ষুধার্ত’ ‘শোষিত’, ‘বঞ্চিত’, ইত্যাদি কিছু ছেঁদো বাংলা-বামপন্থী শব্দবন্ধ দিয়ে এই হকারতন্ত্র সমর্থন করা, খাবার জায়গায় মলত্যাগ করার মতই ঘৃণ্য। এও ভুলে গেলে চলবে না, যে এই শোষণ বা বঞ্চনা বামপন্থীদের কাছে একটি কাম্য অবস্থা, কারণ সবাই যদি খেতে-পরতে পায় তবে পার্টিকে চাঁদা দেবে কে, মিছিলে যাবে কে ?”

   

আরও দেখুনঃ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও গ্রেফতার হয়নি পরেশ পাল! হাইকোর্টে অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ

তথাগতের এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে বামেরা আসলেই শুধু মাত্র রাজনৈতিক ময়দানে লাইমলাইট পাওয়ার জন্য এই ধরণের ইস্যু তৈরী করছে এবং প্রতিবাদ করার ভান করছে। আসলে তারা কখনোই চায় না বা চায়নি, সমস্ত সাধারণ মানুষের কাছে টাকা থাকুক। কারণ তারা জানে সাধারণ মানুষ শিক্ষিত হলে বা তাদের কাছে টাকা থাকলে আর তারা পার্টি ফান্ডে কোনও টাকা দেবে না বা তাদের মিছিলে লোক হবে না। সুতরাং এই ধরনের দ্বিচারিতা করেই রাজনীতির ময়দানে টিকে থাকতে চায় সিপিএম এমনটাই মনে করছেন এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ।

তথাগতের এই পোস্ট ঘিরে সমাজ মাধ্যমে নেটিজেনদের নানা মত। অনেকেই তথাগতের এই যুক্তি মেনে নিয়েছেন এবং সমর্থন করে বলেছেন যে কলকাতার ফুটপাত দিয়ে হাটা দুস্কর সেই হিসেবে বিজেপি সরকারের এই পদক্ষেপ ভালো, তবে হকারদেরও পুনর্বাসন দরকার। আবার অনেকেই বলেছেন সিপিএমের এই শোষিত নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রহসন আর মানুষ নেবে না। কারণ ৩৪ বছরের শাসনে শিক্ষা থেকে শিল্প কোনও ক্ষেত্রেই উন্নতি হয়নি বরং কয়েক প্রজন্ম পিছিয়ে গিয়েছে এই আমলে। সুতরাং বামেদের দ্বিচারিতার রাজনীতি আর মানুষের কাছে গ্রাহ্য হবে না।

Follow on Google