সকালে কাকলি! ভর সন্ধেতে শুভেন্দু শরণে গিয়ে জল্পনা বাড়ালেন ঋতব্রত-সন্দীপন

কলকাতা: সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে এলেন কাকলি। (Suvendu Adhikari)ভর সন্ধেবেলা ফের শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত এবং বিধায়ক সন্দীপন সাহা। সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু…

tmc-leaders-meeting-suvendu-adhikari-political-speculation-kolkata

কলকাতা: সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে এলেন কাকলি। (Suvendu Adhikari)ভর সন্ধেবেলা ফের শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত এবং বিধায়ক সন্দীপন সাহা। সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন তৃণমূল নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কাকলি ঘোষ দস্তিদার চিফ হুইপ পদ থেকে বহিস্কৃত হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল নিয়ে বেসুরো ছিলেন।

   

আজ মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে এসে রাজনৈতিক মহলে বাড়ালেন জল্পনা। ঠিক একই দিনে ভর সন্ধ্যায় বিধানসভায় স্পিকার রথীন বসুর চেম্বারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক সন্দীপন সাহা। এই বৈঠকের পরেই ফের একবার জল্পনা তৈরী হল রাজনৈতিক মহলে। তবে আসতে চলেছে নতুন কোনও রাজনৈতিক সমীকরণ কিংবা দল বদলের সংকেত।

আরও দেখুনঃ সকালে কাকলি! ভর সন্ধেতে শুভেন্দু শরণে গিয়ে জল্পনা বাড়ালেন ঋতব্রত-সন্দীপন

সূত্রের খবর, সন্ধ্যায় বিধানসভায় স্পিকারের চেম্বারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পিকার রথীন বসুর সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। ঠিক সেই সময় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা সেখানে প্রবেশ করেন এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠকটি বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে। যদিও বৈঠকের আলোচ্যসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

এর আগে সকালে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। একই দিনে দুই দফায় তৃণমূল নেতাদের শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বিধানসভায় সরকার গঠনের পর শুভেন্দু অধিকারী সরকারের সঙ্গে বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু নেতার যোগাযোগ বাড়ছে।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা দুজনেই তৃণমূলের মধ্যে পরিচিত মুখ। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সাবেক রাজ্যসভা সাংসদ এবং সন্দীপন সাহা উত্তর ২৪ পরগনার বিধায়ক। তাঁদের এই বৈঠককে অনেকে ‘রাজনৈতিক সমঝোতা’ বা ‘আলোচনার নতুন অধ্যায়’ হিসেবে দেখছেন।বিধানসভা সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বিধানসভার কার্যপ্রণালী, বিরোধী দলের ভূমিকা এবং রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রাথমিক খবর।

তবে কোনও লিখিত চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতিতে নানা জল্পনা চলছে। কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং কিছু নেতা নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন। আবার কেউ মনে করছেন, এটি স্বাভাবিক বিরোধী দলের দায়িত্ব পালনের অংশ। তৃণমূলের একাংশ অবশ্য এই বৈঠককে ‘ব্যক্তিগত আলোচনা’ বলে উড়িয়ে দিতে চাইছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, রাজ্যের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কাজে সব পক্ষের সহযোগিতা চান তিনি। তবে কোনও রাজনৈতিক জোট বা বড় পরিবর্তনের খবর এখনও সামনে আসেনি।