ধর্মেন্দ্র অতীত! এবার মোদী-শাহের পদত্যাগ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বিক্ষোভ রাহুলের

নয়াদিল্লি: রাজধানী দিল্লিতে মঙ্গলবার রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। (Congress)এবার প্রধানমন্ত্রীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ংকা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ, শীর্ষ…

congress-protest-pm-residence

নয়াদিল্লি: রাজধানী দিল্লিতে মঙ্গলবার রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। (Congress)এবার প্রধানমন্ত্রীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ংকা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ, শীর্ষ নেতা এবং কংগ্রেস-শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গ-এর বাইরে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন।

বিরোধী দল কংগ্রেসের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের কঠোর পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরোধী। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়।

আরও দেখুনঃ তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনে ৯০০ জনের বিরুদ্ধে FIR দায়ের মুম্বই পুলিশের

এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বদরা । তাঁদের অভিযোগ, ছাত্ররা কথিত NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কেন্দ্র সরকার সেই বিষয়ে সংসদে আলোচনা করতে রাজি নয়। পাশাপাশি, ছাত্রদের আন্দোলন দমাতে পুলিশ অযথা বলপ্রয়োগ করেছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।

বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বদরা, কে.সি. ভেনুগোপাল, পবন খেরা, পঞ্জাব কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং, দীপেন্দর হুডা, কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী ডি.কে. শিবকুমার-সহ বহু সাংসদ ও দলের শীর্ষ নেতা। কংগ্রেসের দাবি, ছাত্রদের কণ্ঠস্বর রোধ করার পরিবর্তে সরকারকে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংসদে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও দেখুনঃ ‘ইগো’ ভুলে একজোট হয়ে লড়ার ডাক! শহিদ সভা থেকে বাম-কংগ্রেসকে বার্তা মমতার

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের আশপাশে এদিন সকাল থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিপুল সংখ্যক দিল্লি পুলিশ মোতায়েন ছিল। ৭, লোক কল্যাণ মার্গের দিকে যাওয়ার একাধিক রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় এবং বিক্ষোভকারীদের নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীও মোতায়েন করা হয়।

কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক দেশে ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার অধিকার রয়েছে। যদি কোনও প্রশ্নপত্র ফাঁস বা শিক্ষাব্যবস্থার অনিয়ম নিয়ে ছাত্ররা প্রতিবাদ জানায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পুলিশি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত নয়। বরং অভিযোগগুলির স্বচ্ছ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই সরকারের দায়িত্ব।

আরও দেখুনঃ বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিন: তোপ মমতার

অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এই বিক্ষোভ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে সরকারি সূত্রের দাবি, রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরাপত্তার স্বার্থেই পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ বা মিছিলের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।