কলকাতা: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং শাসকদলের অন্দরে ভাঙনের গুঞ্জনের মাঝেই ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বিজেপি’র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একসঙ্গে হাত মেলানোর বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের সভা থেকে বামপন্থী নাট্যকর্মী ও শিল্পী চন্দন সেনের একটি মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং বিজেপির আগ্রাসন রুখতে সমস্ত রাজনৈতিক দলের একজোট হয়ে লড়াই করা উচিত। একুশের সভা থেকে মিত্রতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসের দিকেও৷
চন্দন সেনের মন্তব্যকে সমর্থন
এদিনের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশিষ্ট শিল্পী চন্দন সেনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি জানান, অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস দখল করার চেষ্টার বিরুদ্ধে চন্দন সেন যে প্রতিবাদী বক্তব্য রেখেছিলেন এবং সকলকে উঠে দাঁড়িয়ে একজোট হয়ে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন, তিনি তাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করছেন। দলীয় গণ্ডির বাইরে গিয়েও বৃহত্তর গণতন্ত্রের স্বার্থে শিল্পীর এই সাহসিকতাকে সাধুবাদ জানান তিনি।
বামেদের প্রতি যৌথ লড়াইয়ের আহ্বান
এর পরেই বাম শিবিরকে সতর্ক করে মমতা বলেন, এর আগেও রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন তিনি ‘ইন্ডিয়া’ জোটের আদলে বাংলাতেও একসঙ্গে লড়াই করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁর বা দলের কোনো রকম ‘ইগো’ বা জেদ নেই। বামেদের উদ্দেশে সরাসরি তাঁর সাবধানবাণী, “আজকে যাঁরা বিজেপির মদতে অফিস খুলছেন বা মিছিল করছেন, মনে রাখবেন, আমাদের শেষ করার পর ওরা আপনাদেরও শেষ করে দেবে।” এখনও সময় আছে, বিবেকের তাড়নায় সকলকে এক হয়ে লড়ার আহ্বান জানান তিনি।
অতীতে মোহাম্মাদ সেলিমের প্রতিক্রিয়া
উল্লেখ্য, এর আগেও কালীঘাটে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বামেদের সঙ্গে জোট বাঁধার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই সময় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, দুর্নীতিগ্রস্ত, অপরাধী বা তোলবাজদের কোনো মূল্যেই জোটে জায়গা দেওয়া হবে না, তবে সাধারণ মানুষ ও প্রান্তিক জনগণকে রক্ষা করতে তাঁরা বদ্ধপরিকর। এ বার শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে মমতা ফের সেই যৌথ আন্দোলনের কথা তোলায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,





