নয়াদিল্লি, ২১ জুলাই: রাজধানীর লোক কল্যাণ মার্গে কংগ্রেস কর্মীদের প্রতিবাদ (Congress)বিক্ষোভ পুলিশের হস্তক্ষেপে থমকে গেছে। দলের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিলেন। পুলিশ বিক্ষোভকারী কর্মীদের আটক করে নিয়ে গিয়েছে।
এই ঘটনা কংগ্রেস ও সরকারের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে, লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বড়া, কে সি বেণুগোপাল, পবন খেড়াসহ দলের শীর্ষ নেতারা এই প্রতিবাদে অংশ নেন। নেতারা শিক্ষা ব্যবস্থায় ‘অনিয়ম ও দুর্নীতি’র অভিযোগ তুলে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন।
আরও দেখুনঃ ধর্মেন্দ্র অতীত! এবার মোদী-শাহের পদত্যাগ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বিক্ষোভ রাহুলের
একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে সরকারের বিরুদ্ধেও তীব্র সমালোচনা করা হয়। নেতারা বলেন, “শিক্ষাক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থা চলছে। ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকার উদাসীন। এর দায় নিয়ে মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।”প্রতিবাদ চলাকালীন লোক কল্যাণ মার্গে উত্তেজনা দেখা দেয়। কংগ্রেস কর্মীরা স্লোগান দিতে দিতে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতারাও রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ করায় এবং যান চলাচল ব্যাহত করার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।রাহুল গান্ধী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, “এই সরকার শিক্ষাকে ধ্বংস করছে।
আরও দেখুনঃ ভারতের হাইকমিশনে জামাতপন্থী ভারত বিদ্বেষী সাঈদুরকে নিয়োগ তারেকের বিএনপির
ছাত্রদের আন্দোলন দমন করা হচ্ছে। আমরা জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে যাব।” প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, “যুব সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ভাবনা নেই সরকারের। শুধু ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার রাজনীতি চলছে।” মল্লিকার্জুন খড়গে বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করছি।
পুলিশের এই অত্যাচার গণতন্ত্রের জন্য লজ্জাজনক।”এই বিক্ষোভের পটভূমিতে সারা দেশে চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। কংগ্রেস নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার ছাত্রদের ন্যায্য দাবিকে দমন করছে এবং শিক্ষামন্ত্রকের অব্যবস্থাপনা ঢাকতে চাইছে। বিশেষ করে নিট, নেটসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় কথিত অনিয়ম নিয়ে বিতর্ক চলছে। কংগ্রেস এই ইস্যুতে সংসদে ও রাস্তায় সরব হয়েছে।





