ভারতের হাইকমিশনে জামাতপন্থী ভারত বিদ্বেষী সাঈদুরকে নিয়োগ তারেকের বিএনপির

ঢাকা: বাংলাদেশ সরকার ভারতে তাদের হাইকমিশনে সাঈদুর রহমানকে (Sayeedur Rahman)প্রেস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছে। সাঈদুর রহমান ভারত-বিরোধী এবং জামায়াতপন্থী কর্মী হিসেবে চিহ্নিত। এই নিয়োগের খবর…

sayeedur-rahman-india

ঢাকা: বাংলাদেশ সরকার ভারতে তাদের হাইকমিশনে সাঈদুর রহমানকে (Sayeedur Rahman)প্রেস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছে। সাঈদুর রহমান ভারত-বিরোধী এবং জামায়াতপন্থী কর্মী হিসেবে চিহ্নিত। এই নিয়োগের খবর প্রকাশের পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে এটিকে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন।

এর আগে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি-সমর্থিত সরকার ভারত-বিরোধী হিসেবে পরিচিত একজনকে হাইকমিশনার নিয়োগ করেছিল। এখন প্রেস অফিসার পদে সাঈদুর রহমানের নিয়োগকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে এই পদক্ষেপকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। কারণ সাঈদুর রহমান জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের জন্য পরিচিত।

আরও দেখুনঃ খুলে গেল সোনম-আরশোলাদের মুখোশ! তথাকথিত ছাত্র আন্দোলনকে চিঠি লিখে সমর্থন জামাতের

জামায়াত ঐতিহাসিকভাবে ভারত-বিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত।দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে চাপের মধ্যে রয়েছে। শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, জল বণ্টনসহ নানা বিষয় নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। এর মধ্যে এই ধরনের নিয়োগ ভারতীয় মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা মনে করছেন, এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

সাঈদুর রহমানের নিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জামায়াতপন্থী মহল এটিকে স্বাগত জানালেও, অনেকে বলছেন যে এই ধরনের নিয়োগ কূটনীতির স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি, তবে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে যে নয়াদিল্লি বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

আরও দেখুনঃ ওডেসা বন্দরে রুশ হামলায় চার ভারতীয়ের মৃত্যু, তলব রুশ কূটনীতিক

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই নিয়োগগুলো ইচ্ছাকৃত। তারেক রহমানের প্রভাবশালী ভূমিকা এখানে স্পষ্ট। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বিরোধী বক্তব্য দিয়ে আসছেন। এখন প্রেস অফিসারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে একজন জামায়াতপন্থী কর্মীর নিয়োগ মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট ও প্রচারণার ক্ষেত্রে নতুন কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।