মুর্শিদাবাদের নওদায় (Naoda) ভোটের দিন সকাল থেকেই চরম উত্তেজনা ছড়াল। একাধিক দফায় অশান্তির অভিযোগ ওঠে, পরিস্থিতি কিছুক্ষণের জন্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এলাকায় একের পর এক গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও সামনে আসে, যা ঘিরে ভোটের পরিবেশে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়ে উঠেছে।
অভিযোগের (Naoda) কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হুমায়ুন কবীরের দলের কিছু কর্মী। (Naoda) বিরোধী পক্ষের দাবি, ভোট চলাকালীন সময়ে একাধিক জায়গায় অশান্তি তৈরি করা হয় এবং পরিকল্পিতভাবে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ভোটের দিন সকাল থেকেই কিছু এলাকায় উত্তেজনা ছিল এবং পরে তা আরও বাড়তে থাকে। তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, তাঁর দলের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর দাবি, ভোটকে প্রভাবিত করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই ধরনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। (Naoda) তিনি আরও জানান, তাঁর দল শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়ার পক্ষে এবং কোনও ধরনের অশান্তিতে জড়িত নয়। অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তারা লাঠি চার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে বলে জানা গেছে। এতে কিছুটা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে এলাকাজুড়ে থমথমে পরিবেশ বজায় থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভোটের মাঝপথে হঠাৎ করেই একাধিক (Naoda) জায়গায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা সংঘর্ষের আকার নেয় এবং রাস্তায় দাঁড়ানো একাধিক গাড়ি ভাঙচুরের শিকার হয়। এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে ভোট দিতে বেরোতে ভয় পান বলে জানা গেছে। স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয় এলাকায়। ভোটগ্রহণ যাতে বন্ধ না হয়, তার জন্য কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।




















