হিন্দিতে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ, বাংলাপক্ষের নীরবতা ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক প্রশ্ন

মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক হিন্দি ভাষণের পরও বাংলাপক্ষের প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া না থাকায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন।

bangla pokkho-silence-after-chief-ministers-hindi-speeches

কলকাতা: তৃণমূল হেরেছে। বাংলাপক্ষ (Bangla Pokkho) হারিয়ে গিয়েছে। চৌঠা মে-র সকাল থেকেই সোশাল মিডিয়ায় কৌশিক মাইতির প্রোফাইল গায়েব। আর গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের ঝাঁঝ নেই। মাঝে শ্রীঘরে কয়েকদিন কাটিয়ে এসেছেন। আর রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক মঞ্চে হিন্দিতে ভাষণ দিচ্ছেন। কোথাও কোনও প্রতিবাদ নেই।

শনিবার কলকাতার একাধিক মঞ্চে ভাষণ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সকালে আলিপুর বডিগার্ড লাইনে ছিল প্রশাসনিক অনুষ্ঠান। তারাতলা বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকারীদের সংবর্ধনা দেন। সেনা, পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল, রেল-সহ উদ্ধারকাজে জড়িত সকলকে স্যালুট জানান। কেন্দ্র-রাজ্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার বার্তাও দে।  উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, সম্পূর্ণ বক্তব্য হিন্দিতে দেন শুভেন্দু অধিকারী। মেদিনীপুরের ছেলে হিন্দি টানে কোথাও সমস্যা হয়েছে, তবে বাংলা বলেননি কাঁথির শান্তিকুঞ্জের মেজো ছেলে।

Advertisements

আরও পড়ুন: রাম মন্দিরের অনুদান আত্মসাৎ মামলায় তদন্তে নতুন মোড়, হিসাব ফের খতিয়ে দেখবে SIT
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব নয়! শুভেন্দুর সিদ্ধান্তে সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান পদে দুস্মন্ত নারিয়ালা

শনিবার রাতের দিকে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে যান শুভেন্দু অধিকারী। বেশ কিছুক্ষণ নানা গরম গরম বক্তব্য রাখেন। ভারতীয় সংস্কৃতি রক্ষা থেকে অনুপ্রবেশ সমস্যা। কিংবা রাস্তা আটকে নমাজ থেকে ইউসিসি- নানা প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন। বাংলার শিল্পের গৌরব ফেরানোর বার্তাও দেন। কিন্তু আবারও সম্পূর্ণ ভাষণ ছিল হিন্দিতে। বাংলার লেশমাত্র নেই।

মুখ্যমন্ত্রীর লাগাতার হিন্দি ভাষণ। তারপরেও বাংলাপক্ষ বা সমতুল সংগঠন চুপ। সোশাল মিডিয়ায় কোনও পোস্ট নেই। তাহলে বাংলা ও বাঙালি নিয়ে আন্দোলন ছিল কি শুধুই তৃণমূলের জন্য। এখন তৃণমূল নেই আর বাংলাপক্ষও নেই? তৃণমূলকে ক্ষমতায় রাখতেই কি তারা পথে নেমেছিল? তৃণমূল ক্ষমতা হারাতেই সব গায়েব?

আরও পড়ুন:‘আমার সঙ্গে আলোচনাই করা হত না’, বাজেট নিয়ে মমতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক চন্দ্রিমা
আরও পড়ুন: NeVAর আওতায় ৩৩ তম কাগজহীন বিধানসভা হিসেবে যোগ দিতে চলেছে বঙ্গের বিধানসভা