‘আইনের বাইরে কিছু নয়’, এনকাউন্টার ইস্যুতে অজয়কে ঘিরে সরব চন্দ্রিমা

Chandrima Bhattacharya এনকাউন্টার প্রসঙ্গ তুলে Ajay Pal Sharma-র মন্তব্যে প্রশ্ন তোলেন। ভোটের আগে নতুন বিতর্কে উত্তপ্ত রাজনীতি।

By Suparna Parui

Published:

Updated:

Follow Us
Kasba Case: 'Why Doesn't the Team Go to Find Facts in BJP-Ruled States?' Asks Chandrima Bhattacharya"

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী আবহে ফের উত্তেজনা ছড়াল ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ উঠেছে, দমদম উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের (Chandrima Bhattacharya) বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত ও ভয় দেখানোর চেষ্টা হয়েছে। এই অভিযোগের পরই কড়া বার্তা দেন রাজ্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। (Chandrima Bhattacharya) তিনি স্পষ্টভাবে জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের হুমকি, চাপ বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না এবং এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অজয় পাল শর্মার এই সতর্কবার্তার পরই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক। বিষয়টি ঘিরে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। (Chandrima Bhattacharya) তিনি এনকাউন্টার প্রসঙ্গ টেনে প্রশাসনিক অবস্থান ও আইনের সীমা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে আইন, বিচার ব্যবস্থা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি।

   

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “আমি জানতে চাই, এনকাউন্টার বলতে ঠিক কী বোঝায়? ধরুন পুলিশের হেফাজতে একজন অভিযুক্ত রয়েছে কোনও অপরাধের জন্য, আর সে যদি পালিয়ে যায়, তখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। সেই পরিস্থিতিতেও আইন আছে, নিয়ম আছে। তাহলে এনকাউন্টার নিয়ে এভাবে কথা বলা কীভাবে সম্ভব?” তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তিনি আরও ইঙ্গিত করেন যে, আইনকে পাশ কাটিয়ে কোনও ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা গণতান্ত্রিক কাঠামোর পরিপন্থী। তাঁর মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সবসময়ই সংবিধান এবং নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনে চলা উচিত। কোনো অবস্থাতেই আইনের বাইরে গিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণকে সমর্থন করা যায় না।

এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একদিকে নির্বাচন পর্যবেক্ষকের কঠোর অবস্থান, অন্যদিকে শাসক দলের প্রার্থীর আইনি ব্যাখ্যা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল আকার নেয়। বিরোধী শিবিরের দাবি, ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা ঠিক নয়। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অনেক সময় ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়, যা ভোটের পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে। এদিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ভোটারদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google