অসম রাইফেলসের শিবির দখল করেই অরুণাচলে গ্রাম গড়েছে চিন, দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

News Desk, New Delhi: একসময় সেখানে ছিল অসম রাইফেলসের শিবির। অরুণাচল প্রদেশে (Arunachala Pradesh) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সেই শিবির দখল করেই আস্ত একটি গ্রাম গড়ে তুলেছে চিন। ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
China builds village in Arunachal Pradesh

News Desk, New Delhi: একসময় সেখানে ছিল অসম রাইফেলসের শিবির। অরুণাচল প্রদেশে (Arunachala Pradesh) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সেই শিবির দখল করেই আস্ত একটি গ্রাম গড়ে তুলেছে চিন। চাঞ্চল্যকর এই দাবি আমেরিকার গোয়েন্দা দফতরের।

মার্কিন গোয়েন্দা দফতরের ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার ভিতরে অরুণাচলের আপার সুবনসিরি জেলায় ছিল আসাম রাইফেলস শিবির। ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সেখানে নিযুক্ত ছিল অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। তাসারি চু (Tasari chu) নদীর তীরে ছিল ওই শিবির। অসম রাইফেলসের পরিতক্ত শিবির ধীরে ধীরে দখল নেয় লালফৌজ। সেখানে এই মুহূর্তে ১০১ টি ঘর তৈরি করেছে চিনের লালফৌজ। নিজেদের দাবির প্রমাণ হিসাবে একটি উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ। তাদের দাবি ২০২০ সালের ১ নভেম্বর ওই ছবি তোলা হয়েছে।

   

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ছয়ের দশকের গোড়াতেই অসম রাইফেলসকে হঠিয়ে দিয়ে তাদের ওই এলাকা দখল করেছিল লালফৌজ। যদিও পরে তারা সেখান থেকে সরে যায়। কিন্তু পরবর্তী পাঁচ দশকে লালফৌজ ধীরে ধীরে ওই এলাকাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে। উল্লেখ্য, এর আগে অরুণাচলের বিজেপি সাংসদ তাপি (Tapi) অভিযোগ করেছিলেন, আপনার সুবনসিরি জেলায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারতীয় সীমান্তে ঢুকেছে লালফৌজ। শুধু ঢুকে পড়াই নয়, তারা সেখানে গ্রামও তৈরি করছে।

যদিও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)সকলেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন। মোদি জোর গলায় বলেছিলেন, চিন কখনওই সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেনি। দেশের ভূখন্ড সুরক্ষিত আছে। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টে এটা প্রমাণ হল যে, সীমান্ত পেরিয়ে লালফৌজের ভারতে ঢুকে পড়া নিয়ে মোদি সত্যি কথা বলেননি।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google