দলে আসতে প্রচুর টাকার টোপ দিয়েছিল, কর্ণাটকের বস্ত্রমন্ত্রীর দাবিতে অস্বস্তিতে পদ্মশিবির

নিউজ ডেস্ক: ঘোড়া কেনাবেচায় উত্‍সাহিত করে কংগ্রেস শাসিত বহু রাজ্যে বিজেপি অস্থিরতা তৈরি করেছে বলে শিবসেনার মুখপত্র সামনা’র সম্পাদকীয়তে মন্তব্য করা হয়েছিল কয়েকদিন আগে। রাজস্থান, কর্ণাটক-সহ বহু রাজ্যে ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Updated:

Follow Us
Srimanta

নিউজ ডেস্ক: ঘোড়া কেনাবেচায় উত্‍সাহিত করে কংগ্রেস শাসিত বহু রাজ্যে বিজেপি অস্থিরতা তৈরি করেছে বলে শিবসেনার মুখপত্র সামনা’র সম্পাদকীয়তে মন্তব্য করা হয়েছিল কয়েকদিন আগে। রাজস্থান, কর্ণাটক-সহ বহু রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি টাকার লোভ দেখিয়ে বিধায়ক কিনছেন বলে অভি্যোগ করেছিলেন বিরোধীরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিরোধীদের নিশানায় ছিলেন গেরুয়া শিবিরের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অমিত শাহ। 

আরও পড়ুন সাত বছরে সর্বাধিক কংগ্রেস নেতা-বিধায়ক-সাংসদের বিজেপি যোগ: রিপোর্ট

   

বিরোধীদের সেই অভিযোগ যে খুব একটা মিথ্যা নয় তা প্রকাশ পেয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা্র কথা থেকে। কর্ণাটকের বিধায়ক শ্রীমন্ত পাতিল শনিবার বলেছেন, কংগ্রেস ছাড়ার সময় বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে অর্থের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই প্রস্তাবে তিনি রাজি হননি বলেই জানান। এই কথা সামনে আসার পরেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

২০১৯ সালে কংগ্রেসের ১৬ জন বিধায়ক পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তার পর আস্থা ভোটে হেরে পদত্যাগ করেন মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। ভেঙে যায় কংগ্রেস-জেডিএস জোটও। তারপরে বিজেপি সরকার গড়লেও  কয়েক দিন আগে বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পাও পদত্যাগ করেন। 

আরও পড়ুন বিজেপির ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে পথে নামল বাংলাপক্ষ

কাগওয়াড়ের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী শ্রীমন্ত পাতিল সেই সময় কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে তিনি জানিয়েছেন, বিশাল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাঁকে কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে আসার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কর্ণাটকের বিধায়ক শ্রীমন্ত পাতিলের মন্তব্যের পরেই রাজনীতিতে ঝড় উঠেছে। তাঁর এহেন মন্তব্যেকে রাজনৈতিক মহল বিজেপির বিরুদ্ধে একটি জোরাল অস্ত্র হিসাবেই মনে করছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google