ফার্মহাউসের ভেতর চলছিল বিপুল পরিমাণে বেআইনি অস্ত্র নির্মাণ!

ভোপাল: ভাড়া করা ফার্মহাউসের (Farm house) ভেতর চলছিল দেদার বেআইনি অস্ত্র (Illigal Weapons) নির্মাণ! ধরা পড়ল পুলিশের জালে। মধ্যপ্রদেশের ভিন্দ জেলায় অবস্থিত ফার্মহাউসটিতে অভিযান চালিয়ে ১২ টি দেশই ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

ভোপাল: ভাড়া করা ফার্মহাউসের (Farm house) ভেতর চলছিল দেদার বেআইনি অস্ত্র (Illigal Weapons) নির্মাণ! ধরা পড়ল পুলিশের জালে। মধ্যপ্রদেশের ভিন্দ জেলায় অবস্থিত ফার্মহাউসটিতে অভিযান চালিয়ে ১২ টি দেশই পিস্তল। ৩ টি তাজা কার্তুজ এবং বিপুল পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করল ভিন্দ জেলা পুলিশ (Bhind District Police)।

জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে মাসিক ৫০,০০০ টাকা বেতনের ভিত্তিতে কর্মঠ এবং দক্ষ শ্রমিক দিয়ে চলছিল অস্ত্র তৈরির কাজ! ভিন্দ জেলা পুলিশ সুপার ডঃ অসিত যাদব জানিয়েছেন, ভিন্দের রূপাওয়াইয়ের একটি ফার্মহাউস থেকে এই চক্রটি পরিচালিত হচ্ছিল। চারজন লোক পিস্তল তৈরি করত। চক্রটি মাসিক ২০,০০০ টাকায় ফার্মহাউসটি ভাড়া নিয়েছিল।

   

অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) মৈনপুরী জেলা থেকে দু-জন মাস্টার বন্দুক-কারিগরকে অস্ত্র তৈরির জন্য আনা হয়েছিল। “এটি কোনও ছোটখাটো অপরাধ নয় বরং, বিপুল পরিমাণে অস্ত্র তৈরির কারখানা তৈরি হয়েছিল ওই ফার্মহাউসে।” মাসিক বেতনের ভিত্তিতে বেআইনি অস্ত্র কারখানা তৈরি করে তা বিক্রির চক্র চলছিল, বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

কীভাবে সফল হল অভিযান?

গোপন সূত্রে রূপাওয়াইয়ের ওই ফার্মহাউসে বেআইনি অস্ত্র (Illigal Weapons) কারখানা তৈরি হওয়ার খবর পায় বারোহি পুলিশের স্টেশন ইনচার্জ অতুল ভাদোরিয়া। ২১শে অক্টোবর, অমলহারি গ্রামের মোড়ের কাছে একজন লোক অবৈধ পিস্তল বিক্রি করার জন্য অপেক্ষা করছিল।

পুলিশ তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পাশাপাশি একটি ৩২ বোরের পিস্তল, তিনটি ৩১৫ বোরের পিস্তল এবং তিনটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। এরপর আটক হওয়া ওই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় গোপন অস্ত্র কারখানার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ (Police)।

দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে, ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ১২টি পিস্তল, অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে অস্ত্র তৈরির উপকরণগুলি উত্তর প্রদেশের এটাওয়া, মৈনপুরী এবং ইটাহ জেলা থেকে আনা হয়েছিল।

তারা ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল এবং ইতিমধ্যেই ২২টি পিস্তল তৈরি করেছে, কমপক্ষে সাতটি অবৈধ অস্ত্র বাজারে বিক্রি করেছে। পুলিশ এই অস্ত্রের তিনজন ক্রেতাকেও গ্রেফতার করেছে। অন্যদের খোঁজ চলছে। খামারবাড়িতে নিযুক্ত প্রধান বন্দুক-কারিগর একজন কুখ্যাত অপরাধী। সে এখনও পলাতক। তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১০,০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google