সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় ফের একবার কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (CID) তলবের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) । আগামী ১৪ জুন, রবিবার বেলা ১২টায় তাঁকে আবারও হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সূত্রের খবর, গতকাল প্রায় সমস্ত উত্তর তিনি দিতে পারেননি। এমনকি একাধিকবার প্রশ্নের চাপে তিনি মেজাজ হারান বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে, যদিও এই বিষয়ে অভিষেকের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই মামলার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে(Abhishek Banerjee) বিধানসভায় জমা দেওয়া একটি প্রস্তাব বা রেজোলিউশন সংক্রান্ত নথি। অভিযোগ, ওই রেজোলিউশন পত্রে মোট ১৩ জন বিধায়কের স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের মতে, এই প্রক্রিয়ার বৈধতা এবং স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়েই মূল প্রশ্ন উঠেছে।
সিআইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আদালতে জমা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নথিতে তারা দাবি করেছে যে, অভিষেক (Abhishek Banerjee) বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ওই তালিকার ফটোকপি করে বিধানসভার অধ্যক্ষকে পাঠিয়েছিলেন। সেই কারণে আসল রেজোলিউশন বুক বা মূল নথি তাঁর কাছেই থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই একাধিকবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গতকালের জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীরা বিশেষভাবে জানতে চান, ওই রেজোলিউশন পত্রে যাঁদের স্বাক্ষর রয়েছে,(Abhishek Banerjee) তাঁদের প্রত্যেকের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। স্বাক্ষর নেওয়ার সময় কারা উপস্থিত ছিলেন, কীভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছিল এসব বিষয়ে বিস্তারিত প্রশ্ন করা হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যও রেকর্ড করা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
(Abhishek Banerjee) তদন্ত চলাকালীন একজন হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ওই বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করার প্রক্রিয়া চলছে। সিআইডির দাবি, জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি একটি গুরুতর আইনগত বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।


















