FIFA World Cup: ১৯৭০ সালের ৭ জুন। গুয়াদালাহারার হিলটন হোটেলের বাইরে তখন কানফাটানো গাড়ির হর্ন, ডাস্টবিন পেটানোর আওয়াজ আর মেক্সিকান সমর্থকদের মুহুর্মুহু ‘ব্রাজিল’ গর্জনের সুনামি। উদ্দেশ্য একটাই ম্যাচের আগের রাতে ইংল্যান্ড দলের ঘুমের দফারফা করা। অর্ধ শতাব্দী আগের সেই মেক্সিকান ভূতই এবার ফের তাড়া করছে ইংল্যান্ডকে। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মহারণে এবার প্রতিপক্ষ খোদ আয়োজক দেশ মেক্সিকো। মেক্সিকো সিটির উচ্চতাজনিত পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লড়াইয়ের চেয়েও ব্রিটিশ শিবিরকে বেশি ভাবাচ্ছে মাঠের বাইরের সেই চেনা চক্রান্ত।
১৯৭০ সালে সেদিন মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত চলা সেই মেক্সিকান সমর্থকদের অত্যাচারে ববি চার্লটন বা গর্ডন ব্যাঙ্কসের মতো তারকারা রাত ৩টে অবধি দু’চোখের পাতা এক করতে পারেননি। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে হোটেলের পিছনের ঘরে আশ্রয় নেন। যদিও পরের দিন ব্যাঙ্কসের পেলের হেড বাঁচানো সেই অবিশ্বাস্য ‘সেভ অফ দ্য সেঞ্চুরি’ এবং জারজিনহোর একমাত্র গোলে ব্রাজিলের ১-০ জয় ফুটবলের লোককথায় অমর হয়ে আছে।
ইতিহাস যাতে কোনোভাবেই ফিরে না আসে, তার জন্য এবার রীতিমতো আটঘাট বেঁধে নেমেছে ইংল্যান্ডের ম্যানেজমেন্ট। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটিয়ে প্রস্তুতি নষ্ট করার যেকোনো মেক্সিকান ফন্দি রুখতে ফিফার দ্বারস্থ হয়েছে তারা। কড়া নিরাপত্তার পাশাপাশি দলের হোটেলের ঠিকানা রাখা হয়েছে চরম গোপনীয়। পরিস্থিতি এমন যে, মেক্সিকান সংবাদমাধ্যমের কাছে হোটেলের অবস্থান ফাঁস হয়ে গেলেই নাকি মুহূর্তে ডেরা বদলাবে থ্রি লায়ন্সরা!
মাঠের আসল লড়াইয়ের আগে মেক্সিকো সিটিতে এ যেন এক নিঃশব্দ স্নায়ুযুদ্ধ। অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকে মেক্সিকো-বধের নিখুঁত ছক কষছে সতর্ক ইংল্যান্ড।
আরও পড়ুন-
লক্ষ্য মূলপর্ব! এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সহজ গ্রুপে ইস্টবেঙ্গল,
এক লাফে ধুলিসাৎ ২২ বছরের পুরনো রেকর্ড! অ্যাথলেটিক্সে ভারতের নতুন রানির উদয়
খাদের কিনারা থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উত্থান বিশ্বকাপে শেষ মুহূর্তের অবিশ্বাস্য ম্যাজিক!
ফিরিয়ে দিয়েছিলেন IPL অফার, এখন দিন কাটছে সাধারণ চাকরি করে


