‘কেন্দ্রিয় বাহিনীতেই ঠান্ডা বাংলা!’ স্বীকারোক্তি নির্বাচনী আধিকারিক বেগম মেরির

বহরমপুর: বৈশাখের উত্তপ্ত বাংলায় পাল্লা দিয়ে চড়ছে নির্বাচনের উষ্ণতা। (Central forces)আর এই নির্বাচনী উত্তাপ কমাতেই এবার রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বাংলায়। কেন্দ্রীয়…

central-forces-west-bengal-election-security-begum-meri-berhampore

বহরমপুর: বৈশাখের উত্তপ্ত বাংলায় পাল্লা দিয়ে চড়ছে নির্বাচনের উষ্ণতা। (Central forces)আর এই নির্বাচনী উত্তাপ কমাতেই এবার রেকর্ড সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বাংলায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে এবার নিশ্চিন্ত নির্বাচনী অধিকারিকরাও। বহরমপুরের এক নির্বাচনী আধিকারিক বেগম মেরির মুখে এমনটাই শোনা গিয়েছে।

বহরমপুরে ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকা বেগম মেরি বলেন, “এটা আমার দ্বিতীয়বারের মতো ডিউটি। কিন্তু এবারের অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা। আমরা অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করছি। চারপাশে কড়া নজরদারি রয়েছে, এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি যথেষ্ট বেশি।” তাঁর এই মন্তব্যই স্পষ্ট করে দিচ্ছে, নির্বাচন কমিশন এবার ভোটের পরিবেশ শান্ত রাখতে কতটা জোর দিয়েছে নিরাপত্তার উপর।

Advertisements

আরও দেখুনঃ ‘মেয়েকে হারিয়েছি, আর কীসের ভয়?’ সমন ফিরিয়ে তৃণমূলকে খোলা চ্যালেঞ্জ রত্নাদেবীর

রাজ্যের একাধিক সংবেদনশীল বুথে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় অতীতে অশান্তির নজির রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন আরও ঘনিষ্ঠভাবে করা হয়েছে। শুধু মুর্শিদাবাদেই প্রায় ১৭০০ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। এই বাহিনীর মধ্যে প্রধানত রয়েছে CRPF জওয়ানরা জওয়ানরা, যারা বুথের বাইরে থেকে শুরু করে এলাকা টহল সব ক্ষেত্রেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তাঁদের উপস্থিতিতে ভোটারদের মধ্যেও আস্থা বাড়ছে বলে মনে করছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও বলছেন, এবারের ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়ার মতো। বুথের আশেপাশে নিয়মিত টহল, পরিচয়পত্র যাচাই এবং অপ্রয়োজনীয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ সব মিলিয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন এবারে নির্ভয়ে ভোট দিতে বুথে যেতে পারবেন। বিশেষ করে মহিলা ও প্রবীণ ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ছে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পক্ষে ইতিবাচক দিক বলেই মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলিও এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। বিরোধী দলগুলির দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, রাজ্যে ভোটের সময় যথেষ্ট নিরাপত্তা থাকে না। তবে এবারের পরিস্থিতি কিছুটা হলেও বদলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। যদিও শাসকদলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজ্য পুলিশও যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করছে।