কলকাতা: গত সিজনের মাঝামাঝি সময় ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে এসেছিলেন অস্কার ব্রুজো (Oscar Bruzon)। সেবার দলের পারফরম্যান্স খুব একটা আহামরি না হলেও তাঁর তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে ছন্দ পেতে শুরু করেছিল ময়দানের এই প্রধান। স্বাভাবিকভাবেই এই স্প্যানিশ কোচের উপর ভরসা রাখে ম্যানেজমেন্ট। তারপর এই মরসুমের কথা মাথায় রেখে এই কোচের পছন্দ অনুযায়ী দেশি ও বিদেশি ফুটবলারদের দলে টানে মশাল ব্রিগেড। শুরুটা যথেষ্ট প্রশংসনীয় ছিল লাল-হলুদের। তবে ঐতিহ্যবাহী জুরান কাপের শ্রেণীতে বিদায় নিয়েছিল দল। সেই ধাক্কা কাটিয়ে এবারের আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে দল উঠলেও ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকেনি।
পরাজিত হতে হয়েছিল পড়শী ক্লাব মোহনবাগানের কাছে। তারপর সকলের পাখির চোখ ছিল সুপার কাপের দিকে। সেখানে গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে অভূতপূর্ব ফুটবল খেললেও ফাইনালে ফের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল টাইব্রেকার। শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে এফসি গোয়ার কাছে পরাজয়। এই ধাক্কা কিছুতেই কাটিয়ে উঠতে পারছিলেন না সমর্থকরা। স্বাভাবিকভাবেই এবারের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ নিয়ে ব্যাপক প্রত্যাশা ছিল সমর্থকদের মধ্যে। টানা দুইটি জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও তৃতীয় ম্যাচ থেকেই হোঁচট খাওয়া শুরু। জামশেদপুর এফসির কাছে পরাজিত হওয়ার পর এফসি গোয়ার সাথে অমীমাংসিত ফলাফলে শেষ করে ময়দানের এই দল।

তারপর গত ম্যাচে নিজেদের ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকেও আটকে যেতে হয় টুর্নামেন্টের তলানিতে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে। এমন পারফরম্যান্স কিছুতেই আশা করেননি সমর্থকরা। কাজেই ম্যাচ শেষে ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছিল সমর্থকদের একাংশ। তবে শুধুমাত্র ম্যাচের পরেই নয়, ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠকের উপস্থিত থেকে তার মন্তব্য কে ঘিরেও যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সমর্থকদের মধ্যে। এবার সামনে উঠে আসলো নয়া তথ্য। নিজের সমস্ত সোশ্যাল সাইট হ্যান্ডেল থেকে ইস্টবেঙ্গলকে সরিয়ে দিলেন এই স্প্যানিশ কোচ।
শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। তাহলে কি এবার মাঝপথেই বিদায় নেবেন অস্কার? সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে হঠাৎ এমন পরিবর্তন নতুন করে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে লাল-হলুদ জনতাকে।




















