দফতর থাকতে তো অভিমান হয়নি চন্দ্রিমার? কটাক্ষ কুণালের

তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়াল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সাম্প্রতিক পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। দলের অন্যতম মুখ কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) এই ইস্যুতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।…

Fresh Internal Clash? ‘Many Refuse to Accept Him as Leader,’ Says Kunal on Ritabrata

তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়াল চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সাম্প্রতিক পদত্যাগকে কেন্দ্র করে। দলের অন্যতম মুখ কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) এই ইস্যুতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। (Kunal On Chandrima) শুধু চন্দ্রিমা নয়, অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখানো বিভিন্ন নেতাকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি তিনি। তাঁদের উদ্দেশে কখনও “গদ্দার”, কখনও “বিশ্বাসঘাতক” বলেও মন্তব্য করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুন: চন্দ্রিমার পদত্যাগ নিয়ে বিস্ফোরক সন্দীপন

   

এবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে ঘিরে তাঁর মন্তব্য (Kunal On Chandrima) নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, যখন চন্দ্রিমার হাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর ছিল, তখন কেন কোনও অভিমান হয়নি? আজ হঠাৎ করে কেন তাঁর খারাপ লাগছে বা অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে, সেই প্রশ্নই তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক দায়িত্বে থাকাকালীন কোনও সমস্যা না থাকলেও হঠাৎ করে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া যথেষ্ট সন্দেহজনক।

চন্দ্রিমার সাম্প্রতিক পদত্যাগ এবং তৃণমূল ভবন থেকে তাঁর দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাও কুণাল ঘোষের মন্তব্যে উঠে এসেছে। তিনি দাবি করেছেন, গতকাল তৃণমূল ভবনে চন্দ্রিমা উপস্থিত ছিলেন, তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সেখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে যান। কুণালের কথায়, তাঁকে আরও কিছুক্ষণ থাকার জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি তা শোনেননি। বরং গাড়ি ডেকে সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

আরও পড়ুন: আশ্রয় থেকে অন্নসংস্থান! সেদিন তাড়া খাওয়া হিন্দুদের ত্রাতা ছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ (Kunal On Chandrima) বলেন, “আগেও ওঁর পরিবারের ঘনিষ্ঠ ওইদিকে গিয়েছেন, এগুলো দেখেছি। তা সত্ত্বেও ওঁকে শ্রদ্ধা করতাম, ভালবাসতাম। কিন্তু কাল যখন এরকম একটা ঘটনা ঘটল, তখন দলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। যদি আর কিছুক্ষণ বসে থাকতেন, আমরা পৌঁছে যেতাম। এমনকী, ওখানে কর্মীরাও অনুরোধ করেছিলেন দিদি আর কিছুক্ষণ বসে যান। তিনি বললেন আমি এসবে থাকব না। তারপরই গাড়ি ডেকে বেরিয়ে গেলেন। এটা তো প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কাম্য নয়।”