নয়াদিল্লি: ভারতীয় রেলওয়ের ইতিহাসে এক মাইলফলক তৈরি হয়েছে। (hydrogen train)দেশের প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন ১২০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে সফল পরীক্ষামূলক যাত্রা সম্পন্ন করেছে। এই ট্রেনটি চলার সময় ৩০০০ লিটারেরও বেশি ডিজেল সাশ্রয় করেছে। এই সাফল্যকে সবুজ পরিবহন ব্যবস্থার দিকে এক বড় পদক্ষেপ বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
হাইড্রোজেন ইঞ্জিন চালিত এই ট্রেনটি ভারতীয় রেলওয়ের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে এটি বিভিন্ন রুটে চালানো হয় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর পারফরম্যান্স অত্যন্ত সন্তোষজনক ছিল। ইঞ্জিনটি হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন বিদ্যুৎ দিয়ে চলে। ফলে কোনো কার্বন নির্গমন হয় না।
আরও দেখুনঃ যন্তরমন্তরে NEET ছাত্রদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি! কাঠগড়ায় আরশোলা নেতা অভিজিত
এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব একটি প্রযুক্তি।রেল মন্ত্রকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ট্রেনের সফল পরীক্ষা ভারতকে রেলওয়ে ক্ষেত্রে সবুজ জ্বালানির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ডিজেলের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ হ্রাস করার পাশাপাশি জ্বালানি খরচও অনেকাংশে কমবে। মাত্র ১২০০ কিলোমিটার পরীক্ষায়ই ৩০০০ লিটারের বেশি ডিজেল বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।
পুরোদমে চালু হলে এই সাশ্রয়ের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত সবুজ হাইড্রোজেন মিশনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত এগোচ্ছে। হাইড্রোজেন ট্রেন এই মিশনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রেল নেটওয়ার্কের দেশ। এখানে হাইড্রোজেন প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করতে পারলে পরিবেশগতভাবে বিশাল সুবিধা হবে।
আরও দেখুনঃ আন্দোলনে লাঠিচার্জ কেন! ধর্মেন্দ্রর পর শাহের পদত্যাগ দাবি সাগরিকার
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তি শুধু রেল নয়, সড়ক পরিবহনেও বিপ্লব আনতে পারে।হাইড্রোজেন ট্রেনের ইঞ্জিনটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি। এতে সেফটি ফিচার অত্যন্ত উন্নত। পরীক্ষায় দেখা গেছে, এটি সাধারণ ডিজেল ইঞ্জিনের মতোই শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য। তবে এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পরিবেশবান্ধব হওয়া। বিশ্ব উষ্ণায়নের এই যুগে এমন প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।
আরও দেখুনঃ ‘বিজেপিকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না!’ যোগী রাজ্যে জোটের জন্য প্রস্তুত ওয়েইসি





