মুম্বই: মহারাষ্ট্রের মিরা ভায়ন্দারে বিতর্কিত একটি অবৈধ মসজিদ ভেঙে দিয়েছে রাজ্য সরকার। (Noorani Mosque)নুরি মসজিদ নামে পরিচিত এই স্থাপনাটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে পুরসভার সংরক্ষিত পাবলিক জমি দখল করে রেখেছিল। গেরুয়া সরকারের এই অভিযানের পর সেই জমিতে এখন নির্মিত হবে বিখ্যাত শিবসেনা প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের নামে একটি আর্ট হল।
Maharashtra govt demolishes famous Noori Masjid in Mira Bhayandar, Thane
The illegal structure had encroached on municipal land reserved for public use for over 20 years. The cleared plot will now be used for an art hall dedicated to Balasaheb Thackeray pic.twitter.com/OxBirMgQHm
— Megh Updates 🚨™ (@MeghUpdates) June 8, 2026
ঘটনাটি রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের বড় বাহিনী মোতায়েন করে সোমবার সকালে অভিযান চালিয়ে মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের দাবি, এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ছিল। কোনো অনুমোদন ছাড়াই পাবলিক ল্যান্ড দখল করে গড়ে তোলা হয়েছিল। দুই দশক ধরে এই জমি দখল করে রাখায় স্থানীয় মানুষের সাধারণ ব্যবহারের জায়গা হারিয়ে গিয়েছিল।
আরও দেখুনঃ ভারতীয় নৌবাহিনীতে অগ্নিবীর শিক্ষানবিশের জন্য আবেদন শুরু, জানুন কারা আবেদন করতে পারবেন
অভিযানের সময় কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি, তবে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।ঘটনাটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। হিন্দু সংগঠনগুলো এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁরা বলছেন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে জনগণের জমি ফিরিয়ে দেওয়া সরকারের সাহসী সিদ্ধান্ত। অনেকে মনে করেন, এ ধরনের অভিযান রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আরও চলা উচিত।
অন্যদিকে, মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তবে অনেক মুসলিম নেতা স্বীকার করেছেন যে, স্থাপনাটি অবৈধ ছিল এবং আইন মেনে চলাই উচিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন “এটা কোনো ধর্মীয় ইস্যু নয়। এটা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়।
যেকোনো ধর্মের অবৈধ স্থাপনা হোক, ভাঙা পড়বেই। জনগণের জমি জনগণেরই ফিরিয়ে দেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, ভাঙা জমিতে দ্রুত আর্ট হলের কাজ শুরু হবে যাতে স্থানীয় যুবক-যুবতীরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। বিজেপি ও শিবসেনা নেতারা বলছেন, এটি তাঁদের ‘অবৈধ দখলমুক্তি’ অভিযানের অংশ। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করছে যে, সরকার ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ব্যবহার করছে। তবে প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ ছিল বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।




















