শুভেন্দু-ফিরহাদ বৈঠক ঘিরে জোর চর্চা, কুণাল ঘোষের দাবি নিয়ে শুরু নতুন বিতর্ক

গত দু’দিন ধরে রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim Resignation) ঘিরে তৈরি হওয়া ইস্তফা-জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে তিনি কি সত্যিই মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়াতে ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Kolkata Mayoral Chair in Question Amid Firhad Hakim Resignation Rumours

গত দু’দিন ধরে রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে কলকাতা পুরনিগমের মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim Resignation) ঘিরে তৈরি হওয়া ইস্তফা-জল্পনা। প্রশ্ন উঠছে তিনি কি সত্যিই মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চলেছেন? নাকি এটি কেবল রাজনৈতিক গুঞ্জন, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই? এই ধোঁয়াশার মধ্যেই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে যে কুণাল ঘোষের দাবি ও বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ একে অপরের সঙ্গে খাপ খাচ্ছে না।

ঘটনার সূত্রপাত কালীঘাটে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর। (Firhad Hakim Resignation) সেখানে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ দাবি করেন, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজে থেকেই ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কুণালের বক্তব্য অনুযায়ী, ফিরহাদ হাকিম নাকি জানিয়েছেন তিনি বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ করতে পারছেন না এবং কাজের পরিবেশ অনুকূল নয়। এমনকি তিনি নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকেও এই অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

   

কিন্তু কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের পর দু’দিন কেটে গেলেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখনো পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিমের পক্ষ থেকে ইস্তফা সংক্রান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বরং পরিস্থিতি এমন দিকে গিয়েছে যা এই জল্পনাকে আরও জটিল করে তুলেছে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, যদি সত্যিই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে তা এখনো কার্যকর হয়নি কেন? এই বিতর্কের মধ্যেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত হন ফিরহাদ হাকিম। সেখানে তাঁকে ‘মেয়র সাহেব’ বলে উল্লেখ করে পাশে বসিয়ে আলোচনায় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, শহরের বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যা, পরিষেবা সংক্রান্ত জটিলতা এবং পুরসভার কাজকর্ম নিয়ে বিশদে আলোচনা হয় এই বৈঠকে। এই দৃশ্য অনেকের কাছেই ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে হয়েছে, কারণ ইস্তফার জল্পনার মধ্যেই এমন ঘনিষ্ঠ প্রশাসনিক বৈঠক রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

আরও একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে পরের দিন। পুরসভার কমিশনারকে ডেকে নিয়ে আলাদা করে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন প্রশাসনিক স্তরের কর্তারা। সেখানে শহরের পরিষেবা, উন্নয়নমূলক কাজ এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক সমস্যাগুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা যায়। এই বৈঠকও ইস্তফা-গুঞ্জনের সঙ্গে পুরোপুরি বিপরীত বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google