পুলিশের দাওয়াই খেয়ে দুই পা খোয়ালেন মহু গো হত্যা কেলেঙ্কারির মাস্টারমাইন্ড ইমরান

ইন্দোর: বকরি ঈদের সময় মহুর বান্দা বস্তিতে গো-হত্যার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। (Imran Khatkhat)এর কয়েকদিনের মধ্যেই মূল অভিযুক্ত ইমরান খটখটকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পালানোর সময় চোরাল ড্যামের কাছে ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
imran-khatkhat-arrested-mhow-cow-slaughter-case-indore

ইন্দোর: বকরি ঈদের সময় মহুর বান্দা বস্তিতে গো-হত্যার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। (Imran Khatkhat)এর কয়েকদিনের মধ্যেই মূল অভিযুক্ত ইমরান খটখটকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পালানোর সময় চোরাল ড্যামের কাছে একটি সেতু থেকে লাফিয়ে পড়ে দু’পায়ে গুরুতর চোট পেয়েছেন তিনি। বজরং দলের সক্রিয়তা ও পুলিশের তৎপরতায় তাঁকে ধরা সম্ভব হয়।

এই ঘটনায় মধ্যপ্রদেশ পুলিশ জাতীয় নিরাপত্তা আইন (এনএসএ) প্রয়োগ করেছে, যা পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৯ মে বকরি ঈদের পরদিন মহুর বান্দা বস্তিতে ইমরান খটখটের একটি শেডের ভিতরে গো-মাংসের অবশেষ পাওয়া যায়। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে অন্তত আটটির বেশি গরু জবাই করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বজরং দলের কর্মীরা প্রতিবাদে নেমে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

   

আরও দেখুনঃ শুভেন্দু-ফিরহাদ বৈঠক ঘিরে জোর চর্চা, কুণাল ঘোষের দাবি নিয়ে শুরু নতুন বিতর্ক

পুলিশ মধ্যপ্রদেশ গো-বধ নিষেধাজ্ঞা আইন-২০০৪ এবং অস্ত্র আইনের অধীনে মামলা দায়ের করে। ইমরান ছাড়াও কাদির, আনোয়ার, কল্লা, হাশিম ও মোহাম্মদ আবাদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়।ইমরান খটখটকে ধরতে পুলিশের বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ২ জুন রাতে গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি চোরাল ড্যাম এলাকায় লুকিয়ে আছেন। পুলিশের টিম সেখানে পৌঁছালে ইমরান পালানোর চেষ্টা করেন।

অন্ধকারে একটি ছোট সেতু বা কালভার্ট থেকে লাফিয়ে নামতে গিয়ে তাঁর দু’পায়ের হাড় ভেঙে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয় এবং আদালতে তোলা হয়। বর্তমানে তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন।ইমরান খটখটের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে প্রায় দশটি মামলা রয়েছে।

মহু, কিশানগঞ্জ, বাদগাঁও ও অন্যান্য থানায় খুনের চেষ্টা, গো-বধ, অবৈধ অস্ত্র রাখা এবং দাঙ্গার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের তরফে তাঁর মাথায় পাঁচ হাজার টাকা ইনামও ঘোষণা করা হয়েছিল। তাঁর সহযোগী কাদির ও কল্লার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এনএসএ প্রয়োগ করা হয়েছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অভিযোগে এই কঠোর আইন প্রয়োগ করা হয়েছে।

এই ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলি স্বস্তি প্রকাশ করেছে। বজরং দলের কর্মীরা বলছেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় অবৈধ গো-হত্যা চলছিল। আমরা প্রতিবাদ করায় পুলিশ তৎপর হয়েছে।” অন্যদিকে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু অংশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, এটা হয়তো ষড়যন্ত্র। তবে পুলিশ ফরেনসিক প্রমাণ ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চালাচ্ছে।

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google