কলকাতা:বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর রাজ্যে এখন এক মাসের গেরুয়া সরকার। (Shamik Bhattacharya)২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন দখল করে সরকার গঠনের পথে পা বাড়িয়েছে দল। এর মধ্যেই প্রধান বিরোধী দল তৃণমূলে শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। তৃণমূলের অনেক চেনা মুখই এখন আসতে চাইছেন স্রোতের অনুকূলে। এই আবহেই রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কোনও নেতা-কর্মীকে দলে নেওয়া হবে না।
#WATCH | Delhi | West Bengal BJP President Samik Bhattacharya says, “Our doors are closed for TMC. We reached the number 207 without importing anyone. The people voted against the leaders of TMC. Our political strategy this time started from the bottom… How can we include the… pic.twitter.com/VPoSiFOtW2
— ANI (@ANI) June 2, 2026
“তৃণমূলীকরণ” কখনোই হবে না বলে তিনি জোর দিয়ে ঘোষণা করেছেন।সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের দরজা তৃণমূলের জন্য বন্ধ। আমরা কাউকে আমদানি করে ২০৭ আসনে পৌঁছাইনি। জনগণ তৃণমূলের নেতাদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। এবার আমাদের রাজনৈতিক কৌশল শুরু হয়েছে একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে। যাদের দুর্নীতির দাগ লেগে আছে, তাদের আমরা দলে নেব কী করে?
আরও দেখুনঃ লক্ষীর ভান্ডারে বড় গরমিল! নদিয়ায় সুবিধাভোগীর তালিকায় ১৭৩ পুরুষ
বিজেপির তৃণমূলীকরণ কখনোই হবে না।”এই বক্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন তুলেছে। অনেকে মনে করছেন, নির্বাচনে জয়ের পর তৃণমূলের অনেক নেতা হয়তো বিজেপির দিকে ঝুঁকবেন বলে জল্পনা চলছিল। কিন্তু শমীক ভট্টাচার্য সেই সম্ভাবনাকেই এক কথায় নস্যাৎ করে দিয়েছেন। তাঁর মতে, এই জয় সম্পূর্ণ জনগণের রায়। বুথ স্তর থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ফল এটি। কোনও “আমদানি” বা জোড়াতালি দিয়ে এই সাফল্য আসেনি।
সম্প্রতি একটি মন্তব্যে শমীক বলেছিলেন তৃণমূলের সবাই খারাপ নয়। কিছু ভাল তৃণমূলও আছে। সেই সময় জল্পনা তৈরী হয়েছিল, তাহলে কি তৃণমূলের কিছু নেতা বিজেপিতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই আবহেই দিকে দিকে ভাল তৃণমূল সাজার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে আজকের এই বিবৃতি তৃণমূলীদের সেই উৎসাহে কিছুটা জল ঢেলে দিল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।




















