তিরুচিরাপল্লী: সামনেই নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনার পরিবেশ। (Bangladeshi Infiltrators)এই আবহেই ৩৩ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করেছে তামিলনাড়ু পুলিশ। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী তাদের ফের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ৩৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে সালেম জেলার অট্টুরে অবস্থিত বিশেষ শরণার্থী শিবিরে রাখা হয়েছিল। এদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা এবং ৪ জন শিশু রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এরা বিভিন্ন মামলায় জড়িত ছিলেন প্রধানত বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে বসবাস করা, জাল নথি ব্যবহার করে কাজ করা এবং অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে আসার অভিযোগে। তামিলনাড়ু পুলিশ এবং ইমিগ্রেশন ব্যুরোর যৌথ অভিযানে গত কয়েক মাসে এ ধরনের অনেককে আটক করা হয়েছে। অট্টুর শিবিরে তাদের রাখা হয় যাতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে দেশে ফেরত পাঠানো যায়।
আরও দেখুনঃ অর্জুনের চালে বিজেপিতে উত্তর ব্যারাকপুর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলার
২০ মার্চ ২০২৬-এ এই ৩৩ জনকে তিরুচিরাপল্লি রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিরুচিরাপল্লি-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেনে করে পশ্চিমবঙ্গের দিকে পাঠানো হয়। ট্রেনে তাদের জন্য আলাদা কোচ সংরক্ষিত করা হয়েছিল, এবং পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় এসকর্ট করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছে তাদের বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে, এবং সেখান থেকে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে বাংলাদেশে পুশ-ব্যাক করা হবে। এই প্রক্রিয়া নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসন বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে।
এই ঘটনা শুধু একটি ডিপোর্টেশন নয়, এটা ভারতের অভিবাসন নীতির একটা অংশ। তামিলনাড়ুতে গত কয়েক বছরে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়েছে বলে অভিযোগ। অনেকে চেন্নাই, তিরুপুর, সালেমের মতো শিল্পাঞ্চলে কাজ করতে আসেন কাপড়ের কারখানা, নির্মাণকাজ বা অন্যান্য অসংগঠিত খাতে। কিন্তু বৈধ ভিসা বা কাগজপত্র ছাড়া থাকায় তারা আইনের চোখে অপরাধী। পুলিশের অভিযানে গত বছরও অনেককে আটক করে ডিপোর্ট করা হয়েছে। এবারের এই ৩৩ জনের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, শিশু এবং মহিলারাও রয়েছে যা পরিস্থিতির জটিলতা বাড়িয়েছে।



















