কলকাতা: রাজনৈতিক পালাবদলের পর বাংলায় নতুন সরকারের প্রথম দুর্গাপুজো। আর এই পুজো ঘিরেই এখন রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলের সেই বিপুল আর্থিক অনুদান কি এবারও পাবে ক্লাবগুলি? শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে সেই জল্পনা আরও জোরালো হলো। (durga puja grant be stopped this time)
রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে ঢালাও অনুদান দেওয়ার প্রথায় যে রাশ টানা হতে পারে, এদিন তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাঁর কথায়, “যাঁদের এই সরকারি অর্থের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ারও কোনও মানে হয় না। তবে যে সব ক্লাব আর্থিক সঙ্কটের কারণে পুজো করতে সমস্যায় পড়বে, সরকার নিশ্চিতভাবে তাদের পাশে দাঁড়াবে।”
দলীয় সূত্রে খবর, বিগত জমানার এই অনুদান নীতি পুরোপুরি বাতিল করে সেই বিপুল অর্থ রাজ্যের অন্য উন্নয়নমূলক খাতে ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে অনুদানে কাটছাঁট হলেও, উৎসবের জাঁকজমকে যে বিন্দুমাত্র খামতি থাকবে না, তা নিশ্চিত করতে চাইছে শাসকদল।
২০২৬ সালে রাজ্যে ক্ষমতা দখলের পর প্রথম দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক স্তরে এক নতুন মাত্রায় তুলে ধরতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। দলীয় সূত্রের খবর, এবারের শারদোৎসবে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে কলকাতায় আনার জোরদার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মেগা চমক হিসেবে মহাষ্টমীর অঞ্জলিতেও প্রধানমন্ত্রী অংশ নিতে পারেন বলে জল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই বঙ্গ বিজেপির এই মেগা ব্লু-প্রিন্ট দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হয়েছে।



















