কলকাতা: বাংলা ছায়াছবির সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বিজেপি যোগ দিচ্ছেন। (Prosenjit Chatterjee)এই নিয়ে বাংলার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছিল জল্পনা। পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার পর বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। সেখান থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয় প্রসেনজিৎকে নিয়ে।
একসময় প্রসেনজিতের বাবা বিখ্যাত অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য ছিলেন। তাই অনেকেই মনে করেছিলেন যে প্রসেনজিৎ এবার পদ্ম শিবিরে আসছেন এবং বিধানসভায় লড়বেনও। তবে সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি অকপটে বলেছেন বিজেপিতে আসার কোনও সম্ভবনা তার নেই। অভিনয় তার নেশা এবং পেশা সেটা নিয়েই তিনি থাকবেন এবং যদি কখনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেন তবে তা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েই নেবেন।
আরও দেখুনঃ প্রতি ৪০ দিনে একটি নতুন যুদ্ধজাহাজ! ভারত হবে বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ সরবরাহকারী দেশ
তাঁর এই স্পষ্ট বার্তায় রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি টলিপাড়াতেও স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়েছে। অনেকে মনে করছেন, প্রসেনজিৎ রাজনীতিতে এলে তাঁর অভিনয় কেরিয়ারে প্রভাব পড়তে পারত, আর তিনি সেটা চান না। পদ্মশ্রী পাওয়ার পর সুকান্ত মজুমদারের সাক্ষাতকে অনেকে রাজনৈতিক অভিনন্দন হিসেবে দেখলেও, প্রসেনজিৎ স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এটা ছিল শুধুমাত্র সম্মান জানানোর একটা সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। কোনও রাজনৈতিক অর্থ নেই এতে।জল্পনার সূত্রপাত হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে।
সুকান্ত মজুমদার প্রসেনজিতের বাড়িতে গিয়ে পদ্মশ্রী পুরস্কারের জন্য অভিনন্দন জানান। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তারপর প্রসেনজিতের ছেলে তৃষাণজিৎ (মিশুক) একটা ছবি পোস্ট করেন, যাতে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে প্রসেনজিৎ এবং তিনি রয়েছেন, ক্যাপশনে লেখা ‘জয় শ্রী রাম’। এই পোস্টই আগুনে ঘি ঢেলে দেয়।
নেটিজেনরা থেকে রাজনৈতিক নেতারা সবাই অনুমান করতে শুরু করেন যে প্রসেনজিৎ গেরুয়া শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। কেউ বললেন, তিনি হয়তো বিজেপির স্টার ক্যাম্পেইনার হবেন, কেউ বললেন প্রার্থী হয়ে লড়বেন। বিশেষ করে ২০২৬-এর ভোটের আগে এমন জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।



















