জম্মু: জম্মু-কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় লাইন অফ কন্ট্রোল (Indian Army)-এর কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সতর্ক সৈন্যরা আরেকটি অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬-এ নৌশেরা সেক্টরের ঝাঙ্গার এলাকায় দুজন জঙ্গির গতিবিধি ধরা পড়ার পড়ে। সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। এই এনকাউন্টারে একজন পাকিস্তান-পৃষ্ঠপোষক জঙ্গি নিহত হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে তিনটি অস্ত্র, ছয়টি ম্যাগাজিন এবং তিনটি গ্রেনেড।
দ্বিতীয় জঙ্গির খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে।হোয়াইট নাইট কর্পসের এক্স পোস্টে জানানো হয়েছে যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর ৩টা নাগাদ ঝাঙ্গার এলাকায় দুজন জঙ্গির উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। সেনাবাহিনীর সতর্ক সৈন্যরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং সঠিক যুদ্ধ কৌশলের মাধ্যমে অনুপ্রবেশ রুখে দেয়। গোলাগুলির সময় একজন জঙ্গি নিহত হয়, যার কাছ থেকে AK-47 রাইফেল, পিস্তল, ম্যাগাজিন, গ্রেনেড এবং পাকিস্তানি মুদ্রা উদ্ধার হয়েছে।
আরও দেখুনঃ গ্যাসের আকাল! পরিস্থিতি সামলাতে কী ব্যবস্থা নিল রেল?
এলাকায় গ্রাউন্ড এবং এয়ার সার্ভেল্যান্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় জঙ্গির খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে, যাতে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।এটি গত এক সপ্তাহের মধ্যে রাজৌরিতে LoC-এর ধারে দ্বিতীয় অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করার ঘটনা। সেনাবাহিনীর ক্রমাগত সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যে সীমান্তে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা বন্ধ করতে তারা কতটা প্রস্তুত। রাজৌরি সেক্টর সবসময়ই জঙ্গিদের লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকে, কারণ এখানকার পাহাড়ি এলাকা অনুপ্রবেশের জন্য সুবিধাজনক।
পাকিস্তান-সমর্থিত গ্রুপগুলো প্রায়ই এই পথ ব্যবহার করে কাশ্মীরে অস্থিরতা ছড়াতে চায়। কিন্তু ভারতীয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পসের মতো ইউনিটগুলোর সতর্ক প্রহরা এসব চেষ্টাকে বারবার ব্যর্থ করে দিচ্ছে।এই ঘটনা জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ করা শুধু সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত অ্যাকশন নেওয়ার কারণে এই সাফল্য এসেছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে এলাকায় অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। দ্বিতীয় জঙ্গিকে ধরতে বা নির্মূল করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।



















