মাসখানেক ধরে চলে আসা বেঙ্গল সুপার লিগের বিজয়ী নির্ধারনী ম্যাচ আজ (BSL Final)। কল্যাণীর বুকে এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স এবং জেএইচআর রয়্যাল সিটি এফসি। ম্যাচের বয়স বাড়ার সাথে সাথেই ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে জেএইচআর রয়্যালস দলের ফুটবলাররা। প্রথম কোয়ার্টারের মধ্যেই হাওড়া হুগলি দলের রক্ষণভাগে ঢুকে গোল পাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলেছিলেন সলমন সহ অরলিয়ানো প্যারেইরা। কিন্তু সুযোগের সৎ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে নিজেদের দুই ফুটবলারকে পরিবর্তন করেন জেএইচআর রয়্যাল সিটি। তারপর আরও যেন ভয়ঙ্কর হয়ে ফুটবল দল। কিন্তু গোলের মুখ খুলছিল না কিছুতেই। তারপর ৩৪ মিনিটের মাথায় আসে বহু কাঙ্ক্ষিত গোল। যেখানে শিলা টোরের গোলে এগিয়ে যায় হোসে ব্যারেটোর হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স। এই গোলের পর থেকেই যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে ফুটবল খেলতে শুরু করে হাওড়া-হুগলি দলের ফুটবলাররা। নির্ধারিত ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ফলাফল প্রায় একই থাকলে ও অতিরিক্ত সময়ের মধ্যেই গোল করে দলকে সমতায় ফিরিয়ে ছিলেন পঁচিশ নম্বর জার্সিধারী ফুটবলার সুখচাঁদ কিসকু।
ভেনিজুয়েলার তেল কিনতে আদেশ করে মোদীকে বিপাকে ফেলল ট্রাম্প
অমীমাংসিত ফলাফল থাকার পর যথেষ্ট দাপটের সাথে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছিল উভয় দলের ফুটবলাররা। তারপর ৫৬ মিনিটের মাথায় ২১ নম্বর জার্সিধারী ফুটবলার দ্বীপ গাইনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল হাওড়া হুগলি ওয়ারিয়র্স। কিন্তু তারপরেই ঘটেছিল অঘটন। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে দ্বীপের। মাঠেই শুয়ে থাকেন বেশ কিছুক্ষণ। বিপদ বুঝতে পেরে মাঠেই অ্যাম্বুলেন্স ডাকে কতৃপক্ষ। তড়িঘড়ি করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তারপর নির্ধারিত নব্বই মিনিটের পর অতিরিক্ত ১৮ মিনিট সময় সংযুক্ত করা হয়।
সেই মিনিট ছয়েকের মাথায় কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে গোল করে জেএইচআর রয়্যাল সিটিকে সমতায় ফেরান এমডি সুমিত। তাঁর বাঁকানো শট চলে যায় গোলের মধ্যে। ২-২ ফলাফলে আসার পর বাকি সময় জুড়ে চলতে থাকে লড়াই। কিন্তু আর গোলের দেখা মেলেনি। যারফলে খেলা চলে গেল অতিরিক্ত সময়ের দিকে।




















