নয়াদিল্লিঃ সামরিক ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দেশের সামরিক ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘদিন বিদেশ থেকে আমদানি করা অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল ছিল ভারত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ পরিকল্পনার পর দেশেই অস্ত্র উত্পাদন শুরু হয়। দেশীয় প্রযুক্তিতে অস্ত্র নির্মাণ হলেও এখনও কিন্তু বিদেশি অস্ত্রও আমদানি করছে নয়াদিল্লি। তবে এবার এক অত্যাধুনিক রাইফেল তৈরি করে সবাইকে চমকে দিয়েছে বেঙ্গালুরুর এসএসএস ডিফেন্স নামের একটি সংস্থা।
১৪০০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! ফাঁস রাজ্য সরকারের নতুন দুর্নীতি
ভয়ানক এই অস্ত্রের নাম .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম। ইতিমধ্যেই এসএসএস ডিফেন্স বিদেশে স্নাইপার রাইফেল রফতানির অর্ডার পেয়েছে বলে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যার অঙ্ক ৫ কোটি ডলার ভারতীয় অর্থে যার মূল্য প্রায় ২১৭ কোটি টাকা। দেড় কিমি দূর থেকে টার্গেটে নিঁখুত হিট করতে পারে এই অস্ত্র। এছাড়াও আরও স্বদেশে নির্মিত অন্য অস্ত্র এবং গোলাবারুদ রফতানির অর্ডার পেয়েছে ওই সংস্থাটি। জানা গিয়েছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলিতে রফতানি করা হবে এই নয়া অস্ত্র।
স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন সেনার জন্য রাইফেল তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গের ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরি। সেখানেই প্রায় এক দশক আগে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছিল প্রথম স্নাইপার রাইফেল ‘ঘাতক’। যা বিভিন্ন রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা ব্যবহার করে।
উপনির্বাচনের পরদিন আচমকা বেড়ে গেল বাংলার ৪ কেন্দ্রে ভোটদানের হার!
ভারতের সঙ্গে দুই প্রতিবেশী দেশ চিন ও পাকিস্তানের সম্পর্ক মোটেও ভাল নেই। বিগত কয়েক বছরে দুটি দেশের সঙ্গেই একাধিকবার সংঘাতে জড়িয়েছে নয়াদিল্লি। বালাকোট এয়ারস্ট্রাইক থেকে গালওয়ান সংঘর্ষ। এমন অবস্থায় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান জোরদার করাটাই স্বাভাবিক চ্যালেঞ্জ নয়াদিল্লির কাছে। তারমধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধও রাশিয়ার ওপর অস্ত্র আমদানি করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় ভারতকে।
প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে নয়া মোড়! নিট দুর্নীতি নিয়ে বিরাট নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট
তখন থেকেই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে ভারত। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে অস্ত্র রফতানিও শুরু করে। ইতিমধ্যেই ভিয়েতনাম ও ফিলিপিন্সে ব্রাক্ষোস রফতানি করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। যা নিয়ে ঘোর আপত্তি জানিয়েছিল বেজিং। এবার এই নয়া অস্ত্র রফতানি ভারতের প্রতিবেশীদের মনে কী আশঙ্কা সৃষ্টি করে সেটাই দেখার।




















