T20 WC: পাকিস্তানের কাছে পরাজয়ে মহমম্দ শামিকে ‘গদ্দার’-‘দালাল’ বলে আক্রমণ

স্পোর্টস ডেস্ক: পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে এখনও পর্যন্ত ক্রিকেট বিশ্বকাপের ম্যাচে মাত্র একবার পাকিস্তানের কাছে হেরেছে ভারত। রবিবার সেই পরাজয়ের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মহম্মদ শামি হয়েছেন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু। মহম্মদ ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
mohammed-shami

স্পোর্টস ডেস্ক: পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে এখনও পর্যন্ত ক্রিকেট বিশ্বকাপের ম্যাচে মাত্র একবার পাকিস্তানের কাছে হেরেছে ভারত। রবিবার সেই পরাজয়ের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মহম্মদ শামি হয়েছেন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু।

মহম্মদ শামির বিরুদ্ধে মন্তব্যে উঠে এসেছে ‘গদ্দার’, ‘পাকিস্তানের দালাল’, ‘ম্যাচ ফিক্সচার’ শব্দগুলি। তবে পরাজয়ের পর অন্যান্য ক্রিকেটাররা যত না সমালোচনার মুখে পড়েছেন তার থেকে বেশি ঘৃণার শিকার হচ্ছেন শামি।

   

সামাজিক মাধ্যমে কেন মহম্মদ শামি ঘৃণাসূচক বাক্যে লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন ? এই প্রশ্ন করছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। বীরেন্দ্র সেহবাগ প্রবল ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। সরব হয়েছেন ইরফান পাঠান সহ আরও অনেকেই।

নবভারত টাইমস (NBT) সংবাদপত্রের প্রতিবেদন “আজ মহম্মদ শামিকে ‘গদ্দার’ যারা বলছে এরাই একদিন ওর প্রতি শটে কেন তালি বাজাত?”,(आज मोहम्‍मद शमी को ‘गद्दार’ कहने वालो, तब उनके हर शॉट पर तालियां क्‍यों पीट रहे थे?) এই প্রতিবেদনে বলা হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে দুরকম শব্দের বহর এসেছে। বিরাট কোহলি, হার্দিক পান্ডিয়া, রোহিত শর্মার বিরুদ্ধে শুধুই ‘ক্ষোভ’ আর মহম্মদ শামির ক্ষেত্রে ‘গদ্দার’। শামির ক্রিকেট কেরিয়ারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে।  এর পরেই প্রশ্ন তোলা হয় এই ঝলক দেখে কেন হাততালি দিতেন সবাই?

পাকিস্তানের কাছে পরাজয়ের পর মহম্মদ শামিকে ‘গদ্দার’ বলার মন্তব্য ঝড় ফিরিয়ে আনল ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে ভারত-পাকিস্তান হকি ম্যাচের স্মৃতি। সেই ম্যাচে পাকিস্তান ৭-১ গোলে হারিয়েছিল ভারতকে। আর ভারতীয় দলের গোলকিপার মীর রঞ্জন নেগি সেই ম্যাচ থেকে গদ্দার শব্দে ধিকৃত হয়েছিলেন। তাঁর জীবনের উপর নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চাক দে ইন্ডিয়া’ অবশ্য দর্শকরা বিপুল সমাদরে গ্রহণ করেছেন।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google