কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা, (Monitoring Grid)নজরদারি করা এবং ভাঙার জন্য রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) চালু করেছে একটি অত্যাধুনিক স্টেট টেরর মনিটরিং গ্রিড। এই গ্রিড রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি, অর্থায়ন, অবৈধ অস্ত্র এবং ঘটনার রিয়েল-টাইম ডিজিটাল রেকর্ড এখানে সংরক্ষিত থাকবে।
আধুনিক প্রযুক্তির এই ব্যবস্থা রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।নতুন গ্রিডের মূল অংশ হল চারটি ডেটাবেস। ‘টেরর সাসপেক্ট ডেটাবেস’-এ থাকবে সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য। যাঁরা বর্তমানে সক্রিয়, আগে সক্রিয় ছিলেন অথবা যাঁদের মধ্যে চরমপন্থী চিন্তাধারার প্রভাব পড়েছে সবার তথ্য এখানে সংরক্ষিত হবে। ‘টেরর ফাইন্যান্সিং ডেটাবেস’ হাওলা অপারেটর এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের উপর নজর রাখবে।
আরও দেখুনঃ বঙ্গ জয়ের পুরস্কার? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শমীকের নাম ঘিরে জল্পনা
‘ইলিগ্যাল আর্মস ডেটাবেস’ অস্ত্র চোরাচালানকারীদের ম্যাপ করবে এবং ‘এক্সপ্লোসিভস ইনসিডেন্টস ডেটাবেস’ পুরনো বিস্ফোরণের ফরেনসিক তথ্য সংরক্ষণ করবে।এই গ্রিড আসলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর জন্য তৈরি করা নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি)-এর অংশ।
এসটিএফের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন এসওপি এসটিএফ, জেলা পুলিশ এবং কমিশনারেটগুলোকে স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলা এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে এমন কার্যকলাপ আগেভাগে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩-এর ধারা ১১৩।
এই ধারায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তার শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুসারে, ধারা ১১৩ অথবা আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট (ইউএপিএ)-এর অধীনে কোনও মামলা রুজু হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-কে জানাতে হবে। শুধুমাত্র সুপারিনটেন্ডেন্ট অফ পুলিশ বা তার উপরের পদমর্যাদার কর্মকর্তাই এই আইনে মামলা রুজু করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
আরও দেখুনঃ নন্দনের বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফাইনাল, মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিশেষ আয়োজন





