প্রধানমন্ত্রী আবাসে ১ লক্ষ বাড়ি-একাধিক গবেষণাগারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা: নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সুখবর দিলেন বাংলার মানুষকে (PMAY 100000)। কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বাংলার জন্য একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন করেছেন।…

pmay-100000-houses-west-bengal

কলকাতা: নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সুখবর দিলেন বাংলার মানুষকে (PMAY 100000)। কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বাংলার জন্য একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় এক লক্ষ ঘর অনুমোদন হয়েছে। এছাড়া কৃষি উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বীজ সরবরাহসহ কৃষকদের জন্য নানা সহায়তার ঘোষণা করা হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান তালিকা যাচাইয়ের আগেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এক লক্ষ ঘর অনুমোদন করে দিয়েছেন। তিনি বাংলার ফসল ও উর্বর জমি চিহ্নিতকরণের জন্য চারটি নতুন ট্রেনিং সেন্টার ও ল্যাবরেটরি গঠনেরও অনুমোদন দিয়েছেন।” শুভেন্দু অধিকারী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার ও কৃষি দফতরের বিভিন্ন উদ্যোগে অনুমোদন মিলেছে।

আরও দেখুনঃ ১৮ বছর পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা, রবীন্দ্র সদনে বিশেষ অনুষ্ঠান

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির পাশাপাশি কৃষকদের আরও সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আলু ও পাটের বীজ যথাক্রমে পাঞ্জাব ও অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আনার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বাংলার কৃষকরা উন্নতমানের বীজ পাবেন এবং ফলন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, শিবরাজ সিং চৌহান কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বর্তমানে ২.৫৬ কোটি জব কার্ডের পাশাপাশি আরও ১২৫ দিনের কাজের জন্য বৈধ জব কার্ড চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এতে গ্রামীণ এলাকার মানুষ আরও বেশি দিন কাজের সুযোগ পাবেন।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকা প্রস্তুতির শেষ তারিখ ছিল ২০ জুলাই। কিন্তু রাজ্যের অনুরোধে কেন্দ্র তা ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও দেখুনঃ ‘তৃণমূলের তোষণে ভাঙা পড়েনি, বিজেপি ভাঙবেই!’ বাঁকড়া মসজিদ নিয়ে সাফসুত্র তথাগত

মুখ্যমন্ত্রী এই সিদ্ধান্তকে বাংলার গরিব মানুষের জন্য বড় স্বস্তি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এতে আরও বেশি সুবিধাভোগী অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।”শুবেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, শিবরাজ সিং চৌহান বাংলার কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই সহযোগিতায় কৃষকরা নতুন প্রযুক্তি, উন্নত বীজ ও প্রশিক্ষণ পাবেন। ফলে রাজ্যের কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নতুন উদ্যোগগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত করা হবে। চারটি নতুন ট্রেনিং সেন্টার ও ল্যাবরেটরি গড়ে তোলার কাজ শুরু হবে শিগগিরই। এতে কৃষকরা তাদের জমির মাটি পরীক্ষা, ফসলের ধরন চিহ্নিতকরণ এবং উন্নত চাষের প্রশিক্ষণ পাবেন।

আরও দেখুনঃ নিউটাউনের গেস্ট হাউসে তল্লাশি, উদ্ধার ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা: আটক ৭

কৃষকদের মধ্যে এই ঘোষণায় স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, আবাস যোজনায় ঘর পেলে গ্রামীণ এলাকায় বাসস্থানের সমস্যা কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে কৃষি সহায়তা বাড়লে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং আয় বাড়বে।মুখ্যমন্ত্রী শুবেন্দু অধিকারী এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলার প্রতিটি ঘরে উন্নয়নের আলো পৌঁছে দেওয়া হবে।