গুজরাতে জন্মেছি কিন্তু বাংলার মত এত লোক কখনো জড়ো করতে পারিনি। (Narendra Modi)ঠিক এমনটাই স্বীকারোক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। পূর্ব বর্ধমানের জঙ্গিপুরে নির্বাচনী প্রচারে এই মন্তব্যেই আবেগ বিহ্বল জনতা জনার্দন। মোদী বলেন “আমি সারা জীবন গুজরাটে কাটিয়েছি। কিন্তু সেখানে যদি আমাকে ১১-১২টার সময় জনসভা করতে হতো, তাহলে এমন ভিড় জড়ো করতে পারতাম না।” বাংলার এই জনসমুদ্র আর উৎসাহ দেখে তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছেন।
বলেছেন, বাংলার এই এনার্জি আর টার্নআউট একেবারে অন্য লেভেলের।পূর্ব বর্ধমানের মাঠে সেদিন দুপুরের রোদে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ। অনেকে সকাল থেকেই এসে জায়গা দখল করে রেখেছিলেন। হেলিকপ্টার থেকে নেমে মোদি যখন মঞ্চে উঠলেন, তখন চারপাশে শুধু মানুষের সমুদ্র। লাল-সবুজ-হলুদের পতাকা, স্লোগান, করতালি সব মিলিয়ে এক অবিস্মরণীয় দৃশ্য। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বললেন, গুজরাটে তাঁর নিজের রাজ্যেও এমন দুপুরবেলার ভিড় তিনি কখনো দেখেননি। বাংলার মানুষের এই উৎসাহ তাঁকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে।
এই কথাগুলো শুনে বিজেপি শিবিরে যেন নতুন জোয়ার এসেছে। কর্মীরা বলছেন, “প্রধসনমন্ত্রীর মুখ থেকে এই স্বীকৃতি পাওয়া মানে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া সত্যিই জোরালো হয়ে উঠেছে।” অনেক সাধারণ মানুষও এই বক্তব্য শুনে উচ্ছ্বসিত। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শুধু ভিড়ের প্রশংসাই করেননি।
তিনি বাংলার বর্তমান পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়নের অভাব এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো কেন রাজ্যে আটকে যাচ্ছে সেসব নিয়েও কথা বলেছেন। বলেছেন, “বাংলার মানুষ চায় শান্তি, চায় উন্নয়ন, চায় তাঁদের অধিকার। কিন্তু যে সরকার এখন আছে, সেটা সেসব দিতে পারছে না।” তিনি বিজেপির ম্যানিফেস্টোর কথাও তুলে ধরেন। বলেন, বাংলায় যদি পরিবর্তন আসে, তাহলে কেন্দ্রের সব প্রকল্প পুরোদমে চলবে, যুবকদের চাকরি হবে, মায়েরা সুরক্ষা পাবেন, কৃষকরা ভালো দাম পাবেন।



















