কলকাতা: রানাঘাট থেকে কৃষ্ণনগর-রাত পোহালেই নদিয়ার ১৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভাগ্য নির্ধারণ। মঙ্গলবার সকাল থেকেই নদিয়ার রানাঘাট কলেজ, কৃষ্ণনগর কলেজ, তেহট্ট ও কল্যাণী কলেজের ডিসিআরসি (DCRC) সেন্টারগুলিতে তুঙ্গে ব্যস্ততা। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের কড়া নজরদারিতে ইভিএম (EVM) ও নির্বাচনী সরঞ্জাম বুঝে নিয়ে বুথে বুথে রওনা দিচ্ছেন ভোটকর্মীরা।
রানাঘাট কলেজের ব্যস্ত ছবি
রানাঘাট কলেজ প্রাঙ্গণে সকাল থেকেই ভোটকর্মীদের লম্বা লাইন। রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ এবং শান্তিপুর—এই চারটি বিধানসভার ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও মেশিন প্রদানের কাজ চলছে জোরকদমে। সরঞ্জাম বুঝে নিয়ে সরকারি বাসে করে নিজেদের নির্দিষ্ট বুথের পথে রওনা দিচ্ছেন ভোটকর্মীরা। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, এবারের ভোটদান প্রক্রিয়ায় মহিলা কর্মীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
নিরাপত্তার ‘লোহার খাঁচা’ Nadia election security preparations
নদিয়া জেলার দুই লোকসভা কেন্দ্রে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন। বাহিনীর বিন্যাস একঝলকে:
রানাঘাট লোকসভা: ১২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
কৃষ্ণনগর লোকসভা: ১৫৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
রাজ্য পুলিশ: সমগ্র জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার রাজ্য পুলিশ কর্মী।
শান্তিপূর্ণ ভোটের চ্যালেঞ্জ
কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির পাশাপাশি এলাকা জুড়ে চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ। ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি এবং কন্ট্রোল রুম থেকে প্রতি মুহূর্তের আপডেট নেওয়া হচ্ছে। নদিয়ার ১৭টি বিধানসভাতেই যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে বুথে পৌঁছাতে পারেন, তার জন্য সবরকম প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন।
ভোর থেকেই লম্বা লাইন পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে নদিয়ার বুথগুলিতে। এখন দেখার, এই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে শেষ পর্যন্ত কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ।
আরও পড়ুন: ভোটের দিন গোলমাল? এই ৩ নম্বরে ফোন করলেই আসবে কেন্দ্রীয় বাহিনী!




















