টানা বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা, জলমগ্ন রাস্তায় নাকাল নিত্যযাত্রীরা! চরম যানজট শহরজুড়ে

কলকাতা: অঝোর ধারায় বৃষ্টির জেরে শুক্রবার সকাল থেকেই কার্যত জলমগ্ন কলকাতা ও শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকা। রাতভর টানা বর্ষণে শহরের জনজীবন বিপর্যস্ত। সকালের ব্যস্ত সময়ে অফিসযাত্রী…

কলকাতা: অঝোর ধারায় বৃষ্টির জেরে শুক্রবার সকাল থেকেই কার্যত জলমগ্ন কলকাতা ও শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকা। রাতভর টানা বর্ষণে শহরের জনজীবন বিপর্যস্ত। সকালের ব্যস্ত সময়ে অফিসযাত্রী থেকে শুরু করে স্কুলপড়ুয়া, সবাইকে পড়তে হল তীব্র ভোগান্তির মুখে। বৃষ্টির জোড়া ফলায় সকাল থেকে কার্যত স্থবির শহর।

রাতভর বৃষ্টির ফলে কলকাতার বহু নীচু এলাকায় জল জমে গিয়েছে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, আমহার্স্ট স্ট্রিট, ঠনঠনিয়া, উল্টোডাঙা আন্ডারপাস ছাড়াও দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ ও ঢাকুরিয়ার মতো এলাকাতেও গোড়ালি সমান জল জমেছে। এর ফলে শহরের প্রধান সংযোগকারী রাস্তাগুলিতে গাড়ির গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। সাঁতরাগাছিতে নতুন রেল সেতুর কাজের জেরে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে একটি ট্রাক খারাপ হয়ে যাওয়ায় হাওড়ামুখী লেনে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল থমকে ছিল। ইএম বাইপাস, মা ফ্লাইওভার ও এজেসি বোস রোডেও গাড়ির সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে। আধ ঘণ্টার রাস্তা পেরোতে সময় লাগছে দেড় থেকে দু’ঘণ্টা।

পরিবহন সংকটও প্রকট। রাস্তায় সরকারি ও বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে। অভিযোগ, এই সুযোগে অ্যাপ-ক্যাব সংস্থাগুলি স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি ভাড়া নিচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই মেট্রোর দিকে ছুটছেন, ফলে স্টেশনগুলিতেও তিল ধারণের জায়গা নেই।

প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জল নিকাশির জন্য পাম্পিং স্টেশনগুলিকে সক্রিয় রাখা হয়েছে। ট্র্যাফিক পুলিশের দাবি, শহরে বড় ধরনের জলজমার কোনো খবর নেই এবং যান চলাচল মোটের ওপর স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে। তবে বৃষ্টির তোড় না কমলে দিনভর এই দুর্ভোগের রেশ থাকতে পারে বলেই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। সব মিলিয়ে শুক্রবারের বৃষ্টিতে নাজেহাল মহানগরী।

বাঁকুড়া, দিঘার উপর দিয়ে গিয়ে দক্ষিণ পূর্ব এবং উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত মৌসুমি অক্ষরেখা বিস্তৃত হয়েছে। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন এলাকার উপরে ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। হু হু করে ঢকছে জলীয় বাষ্প। যার জেরে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আগামী সোমবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

‘প্রতিবাদের নাম করে বারবার বঙ্গে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করেন মমতা!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

ফাঁপরে ৫০ ঊর্ধ্ব কর্মীরা! প্রমোশন হলেও আটকে থাকবে ইনক্রিমেন্ট! কেন?