কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চাকদহ! টিনের চাল উড়ে বিধ্বস্ত ৪০টি পরিবার

কলকাতা: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলিয়েই সোমবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখীর ভয়াবহ তাণ্ডব দেখল নদীয়ার চাকদহ। চড়চড়িয়ে পারদ বাড়ার পর কালচে মেঘে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ। তারপরেই শুরু হয় দমকা হাওয়া, শিলাবৃষ্টি ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
Kalbaishakhi Storm West Bengal

কলকাতা: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলিয়েই সোমবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখীর ভয়াবহ তাণ্ডব দেখল নদীয়ার চাকদহ। চড়চড়িয়ে পারদ বাড়ার পর কালচে মেঘে ঢেকে গিয়েছিল আকাশ। তারপরেই শুরু হয় দমকা হাওয়া, শিলাবৃষ্টি আর ঘন ঘন বজ্রপাত। ঝড়ের এই বিধ্বংসী রূপের জেরে চাকদহ থানার চাদুরিয়ার দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে। চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন শিমুরালি ও তার আশেপাশের বহু মানুষ। (Kalbaishakhi Storm West Bengal)

উড়ে গেল টিনের চাল, উপড়ে পড়ল বিদ্যুতের খুঁটি

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবারের ঝড়ের দাপটে এই পঞ্চায়েতের মূলত দুটি গ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাদুরিয়ার বাবুপাড়া এবং মালোপাড়ায় প্রায় ৪০টি বাড়ির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের গতি এতটাই তীব্র ছিল যে বহু বাড়ির টিনের চাল উড়ে গিয়ে অন্যত্র ছিটকে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে হুড়মুড়িয়ে উপড়ে পড়েছে একের পর এক গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে গাছ সরানো ও রাস্তা পরিষ্কারের কাজে হাত লাগিয়েছেন।

   

ভাঙনের ক্ষতে ঝড়ের নুন, কপালে চিন্তার ভাঁজ

এমনিতেই এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভাগীরথী নদীর করাল গ্রাসে সর্বস্বান্ত। নদী ভাঙনের জেরে চাদুরিয়ার একটা বড় অংশের বাসিন্দারা ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। সেই চোট সামলে ওঠার আগেই এই কালবৈশাখীর জোড়া থাপ্পড় তাঁদের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও কেড়ে নিল। একদিকে ভাঙনের ভয়, অন্যদিকে ঝড়ের দাপট, সব মিলিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়া পরিবারগুলির কপালে এখন চিন্তার গভীর ভাঁজ। সরকারের কাছ থেকে দ্রুত ত্রাণের দাবি জানিয়েছেন দুর্গতরা।

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google