Home Bharat চিন-পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ভারতে পৌঁছল চতুর্থ সুদর্শন চক্র

চিন-পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ভারতে পৌঁছল চতুর্থ সুদর্শন চক্র

0
চিন-পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ভারতে পৌঁছল চতুর্থ সুদর্শন চক্র

নয়াদিল্লি: ভারতের চতুর্থ এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স স্কোয়াড্রন এই সপ্তাহে পৌঁছানোর পথে, দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে (S-400)। মোদী সরকার ইতিমধ্যে পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ ইউনিট কেনার অনুমোদন দিয়েছে এবং সিস্টেমের জন্য ২৮০টি শর্ট ও লং-রেঞ্জ মিসাইল অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উন্নয়নগুলো ভারতকে আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মুখে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে।রাশিয়া থেকে আসা এই অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র অনুসারে, চতুর্থ স্কোয়াড্রনটি মধ্য মে-র মধ্যে ভারতীয় বন্দরে পৌঁছে যাবে এবং শীঘ্রই রাজস্থান সীমান্তে মোতায়েন করা হতে পারে। পাকিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় এর অবস্থান ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশসীমাকে আরও সুরক্ষিত করবে। ২০১৮ সালের চুক্তি অনুসারে মোট পাঁচটি সিস্টেমের মধ্যে তিনটি ইতিমধ্যে সক্রিয় রয়েছে। চতুর্থটির আগমনের পর পঞ্চমটি নভেম্বর মাসে আসার কথা।

   

আরও দেখুনঃ নাগরিকত্ব পেতে নতুন নিয়ম! পাসপোর্ট নিয়ে কড়া নির্দেশিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

এস-৪০০ ‘ত্রিউম্ফ’ সিস্টেমটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এয়ার ডিফেন্স প্ল্যাটফর্ম। এটি ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্ব থেকে শত্রুর যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিসাইল, ব্যালিস্টিক মিসাইল এমনকি ড্রোনকেও শনাক্ত করে ধ্বংস করতে সক্ষম। একাধিক টার্গেট একসঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষমতা এর সবচেয়ে বড় শক্তি। গত বছরের অপারেশন সিঁদুরের সময় এই সিস্টেমটি পাকিস্তানের বিভিন্ন আক্রমণাত্মক মিসাইল ও বিমানকে নিরপেক্ষ করে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।

সেই অভিজ্ঞতার পর ভারত সরকার আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে অতিরিক্ত ইউনিট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মোদী সরকারের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (ডিএসি) সম্প্রতি পাঁচটি অতিরিক্ত এস-৪০০ ইউনিটের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর ফলে ভারতের মোট এস-৪০০ স্কোয়াড্রনের সংখ্যা দশে পৌঁছাবে। এই বড় অর্ডারটি ‘মিশন সুদর্শন চক্র’ নামে পরিচিত জাতীয় বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স শিল্ডের অংশ।

চিন ও পাকিস্তান উভয় সীমান্তে একযোগে হুমকি মোকাবিলায় এই শিল্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই সিস্টেমগুলো ভারতকে আধুনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জের সামনে আরও প্রস্তুত করে তুলবে।এছাড়া, সরকার এস-৪০০ সিস্টেমের জন্য ২৮০টি (কিছু সূত্রে ২৮৮টি) শর্ট ও লং-রেঞ্জ মিসাইল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় ১২০টি শর্ট-রেঞ্জ এবং ১৬৮টি লং-রেঞ্জ মিসাইল রয়েছে। অপারেশন সিন্দুরের সময় ব্যবহৃত মিসাইলের স্টক পুনরায় পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফাস্ট ট্র্যাক প্রক্রিয়ায় এই অধিগ্রহণ সম্পন্ন করা হবে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না হয়।

Follow on Google