আর মাত্র একটি দিন বাকি। (Mamata Banerjee) তারপরই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ তুঙ্গে উঠেছে। প্রচারের শেষ লগ্নে একদিকে যেমন শাসক ও বিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতারা মাঠে নেমেছেন, তেমনই বাগযুদ্ধও ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে। একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভা, অন্যদিকে যাদবপুরে পদযাত্রায় নামছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্তের লড়াইয়ে জমে উঠেছে নির্বাচন।
প্রথম দফার ভোট ঘিরে ইতিমধ্যেই নিজেদের সাফল্যের দাবি করেছে দুই পক্ষই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের দাবি নির্বাচনের আগে কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তবে বাস্তব ফলাফল কী হবে, তা নির্ভর করবে দ্বিতীয় দফার ভোটের উপরই। (Mamata Banerjee) এই পরিস্থিতিতে প্রতিটি দলই নিজেদের মতো করে আসন সংখ্যা নিয়ে পূর্বাভাস দিচ্ছে। ভবানীপুর কেন্দ্র এবার নির্বাচনের অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র। এখানে সরাসরি লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।(Mamata Banerjee) ফলে এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে। ২৯ এপ্রিলের ভোটের আগে ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
স্কুল-কলেজে ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব’! বাংলার ইউটিউবারদের বড় বার্তা মোদীর
তিনি(Mamata Banerjee) দাবি করেন, “প্রথম দফার যে নির্বাচন হল, আমরা সেঞ্চুরি পেরিয়ে গেছি। আর আগামী নির্বাচনেও আমরা আরও একটা সেঞ্চুরি পার করব।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বড় জয় নিয়ে আশাবাদী। একই সঙ্গে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে তারা ভয় পেয়ে গেছে। তাঁর কথায়, “যে ভয় পেয়েছে, সে মরেছে।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।(Mamata Banerjee) তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে প্রশাসনিক স্তরে পরিবর্তন এনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, “আপনারা নিজের ভোট নিজে দিন।” পাশাপাশি ভোটার স্লিপের জেরক্স কপি রাখার পরামর্শ দিয়ে তিনি এনআরসি প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন, যা তাঁর প্রচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
জগদ্দলের তাণ্ডবে কড়া অ্যাকশন! শ্রীঘরে কাউন্সিলর-সহ ৪ তৃণমূল কর্মী
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও তৃণমূলকে নিশানা করতে পিছপা হননি। তিনি পাল্টা আক্রমণে বলেন, “৪ মে-র পর তৃণমূলের সব গুন্ডা, সব অত্যাচারী, সব দুর্নীতিগ্রস্তদের হিসাব হবে।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, বিজেপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে। মোদীর বক্তব্যে আরও ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, তিনি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। তাঁর ভাষণে বারবার উঠে আসছে পরিবর্তনের কথা এবং প্রশাসনিক শুদ্ধিকরণের প্রতিশ্রুতি। এই ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ভোটারদের কাছে আইন-শৃঙ্খলা এবং স্বচ্ছ শাসনের বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছেন




















