কলকাতা: বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে ব্যারাকপুর থেকে বড়সড় চমক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু কর্মসংস্থান নয়, কলকাতার ভোল বদলে সেটিকে ‘সিটি অফ ফিউচার’ করার স্বপ্ন দেখালেন তিনি। সেই সঙ্গে সরকারি কর্মীদের মন জিততে দিলেন সপ্তম বেতন কমিশনের (7th Pay Commission) প্রতিশ্রুতি।
এক নজরে মোদীর ‘বেঙ্গল গ্যারান্টি’
ব্যারাকপুরের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী একগুচ্ছ জনমোহিনী ঘোষণা করেন। তাঁর ভাষণের মূল বিষয়গুলি হল-
সপ্তম বেতন কমিশন: বাংলার সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা করে মোদী বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মীরা ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন এবং সপ্তম বেতন কমিশনের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন।”
স্বচ্ছ নিয়োগ ও রোজগার মেলা: ৪ মে-র পর রাজ্যে সরকারি নিয়োগ হবে স্বচ্ছতার সঙ্গে। শূন্যপদগুলি দ্রুত পূরণ করা হবে এবং দিল্লির মতো বাংলাতেও ‘রোজগার মেলা’র মাধ্যমে যুবকদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে।
ক্রিয়েটিভ ইকোনমি ও ডিজিটাল ল্যাব: আধুনিক প্রজন্মের জন্য মোদীর নতুন প্রতিশ্রুতি, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েশন’ বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে জোর। বাংলার স্কুল-কলেজে তৈরি হবে বিশেষ ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব’।
হকার ও মৎস্যজীবীদের সুরক্ষা: পিএম স্বনিধি যোজনার মাধ্যমে হকারদের ঋণ এবং মৎস্যজীবীদের জন্য পিএম মৎস্য সম্পদ যোজনা পুরোপুরি চালু করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
১২৫ দিনের কাজ: ১০০ দিনের কাজের বদলে বাংলায় ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের গ্যারান্টিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
৪ মে-র ডেটলাইন Narendra Modi Bengal Guarantees
তৃণমূল সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মোদী দাবি করেন, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ৪ মে তিনি নিজেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি ‘জি রাম জি’ আইন কার্যকর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনের প্রাক্কালে মোদীর এই একগুচ্ছ ‘ভবিষ্যৎ’ প্রতিশ্রুতি কি বাংলার যুব সমাজ ও সরকারি কর্মীদের ভোট ব্যাংকে ধস নামাতে পারবে? এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।




















