এয়ার স্ট্রাইকে ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে বায়ুসেনাকে ৪০ সুখোই পুতিনের

নয়াদিল্লি: রাশিয়া ভারতকে একটি বড়সড় প্রতিরক্ষা অফার দিয়েছে। (Su-57 deal)সুখোই সু-৫৭ স্টেলথ ফাইটারের দুই পূর্ণ স্কোয়াড্রন সরবরাহের প্রস্তাব রেখেছে মস্কো। যদি ২০২৬ সালের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হয়, তাহলে ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
su57-deal-india-russia-iaf-stealth-fighter-jet-2026

নয়াদিল্লি: রাশিয়া ভারতকে একটি বড়সড় প্রতিরক্ষা অফার দিয়েছে। (Su-57 deal)সুখোই সু-৫৭ স্টেলথ ফাইটারের দুই পূর্ণ স্কোয়াড্রন সরবরাহের প্রস্তাব রেখেছে মস্কো। যদি ২০২৬ সালের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হয়, তাহলে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) হাতে ৩৬ থেকে ৪০টি পঞ্চম প্রজন্মের অত্যাধুনিক স্টেলথ যুদ্ধবিমান আসতে পারে। এই অফারটি ভারতের জন্য একটি ‘ইন্টারিম সলিউশন’ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যতদিন না দেশীয় অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফট (AMCA) প্রকল্প পুরোপুরি চালু হয়।

রাশিয়ার এই প্রস্তাবে শুধু বিমান সরবরাহ নয়, পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তর, যৌথ উৎপাদন এবং ভারতীয় অস্ত্র ব্যবস্থা ইন্টিগ্রেশনের সুযোগও রয়েছে। কিছু সূত্র বলছে, দ্বি-আসনবিশিষ্ট সু-৫৭ ভ্যারিয়েন্টও অফার করা হয়েছে, যা ড্রোন সোয়ার্ম নিয়ন্ত্রণসহ আরও উন্নত ক্ষমতাসম্পন্ন। হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)-এর সুবিধা ব্যবহার করে ভারতে উৎপাদনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। HAL চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, রাশিয়ান কমিটি তাদের প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেছে এবং প্রায় ৫০ শতাংশ সুবিধা সু-৫৭ উৎপাদনে ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ বেঙ্গালুরু-কেরালা ম্যাচের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে এবার বিবৃতি জারি করল ফেডারেশন

তবে অতিরিক্ত বিনিয়োগের প্রয়োজন হবে।টাইমলাইন নিয়ে আলোচনা আরও আকর্ষণীয়। চুক্তি চূড়ান্ত হলে প্রথম কয়েকটি সু-৫৭ বিমান ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে ভারতীয় মাটিতে পৌঁছাতে পারে। পুরো ফ্লিট ২০৩০ সালের আগেই সরবরাহ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি ভারতীয় বায়ুসেনাকে দ্রুত পঞ্চম প্রজন্মের ক্ষমতা দেবে, যা চিনের জে-২০ স্টেলথ ফাইটারের মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।সু-৫৭ বিমানটি রাশিয়ার প্রথম অপারেশনাল ফিফথ-জেনারেশন ফাইটার।

এতে অত্যাধুনিক AESA রাডার, সুপারক্রুজ ক্ষমতা, উন্নত স্টেলথ প্রযুক্তি এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সুবিধা রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রে এতে ব্রহ্মোস, অস্ত্র এবং অন্যান্য দেশীয় সিস্টেম ইন্টিগ্রেট করার সুযোগ থাকবে। রাশিয়া এই অফারকে ‘গোল্ডেন ডিল’ হিসেবে তুলে ধরছে, কারণ এতে সোর্স কোড অ্যাক্সেসসহ ব্যাপক প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।ভারতের জন্য এই চুক্তি কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

বর্তমানে IAF-এর কাছে কোনো অপারেশনাল স্টেলথ ফাইটার নেই। রাফালের মত ৪.৫ জেনারেশন বিমান থাকলেও পঞ্চম প্রজন্মের গ্যাপ পূরণ করা জরুরি। AMCA প্রকল্প এখনও প্রোটোটাইপ পর্যায়ে রয়েছে এবং তার প্রথম ফ্লাইট ২০২৮-২৯ সালের আগে সম্ভব নয়। তাই সু-৫৭কে ‘ব্রিজ ক্যাপাবিলিটি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google