বিট্টু দত্ত, কলকতা ডেস্ক: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের (FIFA World Cup) কোয়ার্টার ফাইনালকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে এবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে সুইজ়ারল্যান্ড। ম্যাচের আগেই সুইস শিবির থেকে স্পষ্ট বার্তা, লিওনেল মেসিদের হারানো অসম্ভব নয়। সুইজ়ারল্যান্ডের প্রধান কোচ মুরাত ইয়াকিন মনে করছেন, সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে আর্জেন্টিনা কিছু দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। তাঁর মতে, শেষ দু’টি নকআউট ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের খেলায় যে ওঠানামা দেখা গিয়েছে, তা প্রতিপক্ষের জন্য আশার আলো জাগায়। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে চাপের মুখে পড়া এবং অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের মধ্যে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়েছে বলেই মনে করছেন তিনি।
কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত লড়াই করতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। এরপর মিশরের বিপক্ষে তো আরও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়। ম্যাচের অধিকাংশ সময় পিছিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে জয় তুলে নেয় স্ক্যালোনির দল। সেই লড়াকু মানসিকতা যেমন আর্জেন্টিনার শক্তি, তেমনই দীর্ঘ সময় ধরে চাপ সামলাতে গিয়ে তাদের দুর্বলতাও প্রকাশ পেয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় ইয়াকিন জানান, তাঁর দল আর্জেন্টিনাকে যথেষ্ট সম্মান করলেও ভয় পাচ্ছে না। তিনি বিশ্বাস করেন, কৌশলগতভাবে সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে সুইজ়ারল্যান্ড বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সমস্যায় ফেলতে সক্ষম হবে। তাঁর মতে, ছোট দেশের জন্য বিশ্বকাপের শেষ আটে খেলা নিজেই এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং এই সুযোগকে কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর তাঁর শিষ্যরা। দলের মিডফিল্ডার জিব্রিল সোরও একই আত্মবিশ্বাসের কথা শোনান। তিনি বলেন, বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিটের বিরুদ্ধে খেলা নিঃসন্দেহে কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। অতীতে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানোর অভিজ্ঞতা সুইস ফুটবলারদের বিশ্বাস জুগিয়েছে যে, আর্জেন্টিনাকেও টক্কর দেওয়া সম্ভব।
ইংল্যান্ডের কাছে ৯ উইকেটে হার, এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ খোয়াল ভারত
রাউন্ড অব সিক্সটিনে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে জয় পেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুইজ়ারল্যান্ড। দীর্ঘ সাত দশকের অপেক্ষার পর আবার শেষ আটে জায়গা করে নেওয়ায় দলের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং দলগত ফুটবলই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। অন্যদিকে, মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছে। দলটির অভিজ্ঞতা, বড় মঞ্চে সাফল্যের ইতিহাস এবং মেসির উপস্থিতি তাদের এগিয়ে রাখলেও, নকআউট পর্বে কোনও প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। ফলে এই কোয়ার্টার ফাইনাল শুধুমাত্র দুই দলের লড়াই নয়, বরং অভিজ্ঞতা ও উদীয়মান আত্মবিশ্বাসেরও দ্বৈরথ। সুইজ়ারল্যান্ড কি সত্যিই বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপাকে ফেলতে পারবে, নাকি মেসিদের অভিজ্ঞতাই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেবে—সেই উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়ে।
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,





