২০১০ সালের পর ফের সেমিফাইনালে ((FIFA World Cup) ) স্পেন। শেষ চারে গত দু’বারের ফাইনালিস্ট ফ্রান্সের মুখোমুখি স্প্যানিশ আর্মাডা। কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়েছে স্পেন।
ম্যাচের শুরু থেকেই মাঝমাঠের দখল নিয়ে বেলজিয়ামের বক্সে চাপ বাড়াতে থাকে স্পেন। ম্যাচে স্পেনের বল পজেশন ছিল ৬৮ শতাংশ, যেখানে বেলজিয়ামের মাত্র ৩২ শতাংশ। লামিন ইয়ামাল, ফাবিয়ান রুইজদের নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণের ফল মেলে ৩০ মিনিটে। পেদ্রো পোরোর পাস থেকে বক্সের ঠিক মাঝখান থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ফাবিয়ান রুইজ। তবে খেলার গতির একেবারে বিপরীতে গিয়ে ৪১ মিনিটে আচমকাই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। টিমোথি কাস্তানিয়ের ক্রস থেকে হেডে গোল করে যান চার্লস ডি কেটেলারে (১-১)। প্রথমার্ধ শেষ হয় এই সমতাতেই।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি স্পেনের হাতেই। ৫৫ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করে স্পেন; মাঠে নামেন ফেরান তোরেস এবং পেদ্রি। ৬১ ও ৬২ মিনিটে ইয়ামাল এবং মিকেল ওয়ারজাবালের দুটি দুর্দান্ত শট আটকে দেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া। ৭১ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন কুর্তোয়া, নামেন সেনে ল্যামেন্স।
অনবরত আক্রমণ শানালেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না স্পেন। অন্যদিকে স্পেনকে আটকাতে মরিয়া বেলজিয়াম বারবার ফাউলের রাস্তা বেছে নেয় (গোটা ম্যাচে ১৮টি ফাউল করে তারা)। অবশেষে ৮৬ মিনিটে দানি ওলমোর বদলি হিসেবে মাঠে নেমে স্পেনের ত্রাতা হয়ে ওঠেন মিকেল মেরিনো। ৮৮ মিনিটে পেদ্রির অ্যাসিস্ট থেকে পাউ কুবার্সির জোরালো শট ল্যামেন্স আটকে দিলেও, ফিরতি বলে বাঁ-পায়ের নিখুঁত শটে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন মেরিনো। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মেগা সেমিফাইনালের মহারণে পা রাখল স্পেন।





