ভারতীয় ফুটবলের চিরাচরিত ব্যাকরণ যেন নিজের পায়েই নতুন করে লিখছেন তিনি। সবুজ গালিচায় তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ তৈরি করছে এক একটি নতুন ইতিহাস, যা আগামী প্রজন্মের কাছে আক্ষরিক অর্থেই এক অনুপ্রেরণার মহাকাব্য। সাইপ্রাস এবং পেরুর পর এবার গ্রিসের মাটিতে উড়তে চলেছে ভারতীয় ফুটবলের বিজয়পতাকা। ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব, গ্রিসের শীর্ষ ডিভিশনের দল এইকে এথেন্স-এ (AEK Athens) সই করে ফের একবার গোটা দেশকে চমকে দিলেন ভারতের ২৪ বছর বয়সি তারকা ফুটবলার মনীষা কল্যাণ (Manisha Kalyan)।
ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে মনীষার নাম আগেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গিয়েছে। দেশের প্রথম মহিলা ফুটবলার হিসেবে উয়েফা উইমেন্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যে বিরল নজির তিনি গড়েছিলেন, তা আজও দেশের ক্রীড়ামহলে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক। তবে তাঁর এই যাত্রা শুধু মহিলা ফুটবলের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নেই। পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে ভারতীয় ফুটবলের সামগ্রিক মানদণ্ডকেই যেন একার কাঁধে এক অন্য উচ্চতায় তুলে ধরেছেন এই তরুণী।
ডার্বি জিতেও খুশি নন দিমপেরিস, হেরেও দলের লড়াইয়ে গর্বিত হাবাস
সাইপ্রাসের অ্যাপোলোন এবং পেরুর আলিয়াঞ্জা লিমার মতো ক্লাবে সাফল্যের সঙ্গে খেলার পর মনীষার এই নতুন অধ্যায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। গ্রিসের শীর্ষ লিগ শারীরিক সক্ষমতা, ক্ষিপ্রতা এবং ট্যাকটিক্যাল দিক থেকে আগের লিগগুলির তুলনায় অনেকটাই বেশি কঠিন এবং প্রতিযোগিতামূলক। সেখানে এইকে এথেন্সের মতো প্রথম সারির দলে চুক্তিবদ্ধ হওয়া প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক আঙিনায় নিজেকে কতটা পরিণত করেছেন তিনি। গ্রিসের লিগে তাঁর পায়ের জাদুতে ভারতীয় ফুটবলের এই রূপকথা আরও কতদূর এগোয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আপামর ক্রীড়াপ্রেমীরা।





