ডার্বি জিতেও খুশি নন দিমপেরিস, হেরেও দলের লড়াইয়ে গর্বিত হাবাস

কলকাতা: প্রথম বার কলকাতার কোনও দলের দায়িত্ব নিয়েই বাজিমাত। মরশুমের প্রথম ডার্বিতে (Kolkata Derby) চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal) হারিয়ে জয় তুলে নিল মোহনবাগান (Mohun Bagan)।…

dimperis-unhappy-despite-derby-win-habas-proud-after-east-bengal-loss

কলকাতা: প্রথম বার কলকাতার কোনও দলের দায়িত্ব নিয়েই বাজিমাত। মরশুমের প্রথম ডার্বিতে (Kolkata Derby) চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে (East Bengal) হারিয়ে জয় তুলে নিল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। গত মরশুমে লাল-ও হলুদের কাছে আইএসএল ট্রফি হারানোর পর এই জয় সবুজ মেরুন শিবিরের কাছে আক্ষরিক অর্থেই সঞ্জীবনীর মতো। কিন্তু গ্যালারির এই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস ছুঁতে পারছে না নতুন কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিসকে। ডার্বি জয়ের তৃপ্তি থাকলেও, দলের সার্বিক পারফরম্যান্সে তিনি একেবারেই সন্তুষ্ট নন।

ম্যাচ শেষে গ্রিক কোচ দিমপেরিস স্পষ্ট জানান, “আমাদের হাতে প্রস্তুতির সময় খুব বেশি ছিল না। তাই ভাল ফুটবল খেলতেও পারিনি। অবশ্য প্রথম ৬০ মিনিট আমরা দাপট দেখিয়েছি। তার পরে হঠাৎ হারিয়ে গিয়েছি।” ৬০ মিনিটের পর ফুটবলারদের ক্লান্তির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, “ইচ্ছে করে রক্ষণাত্মক খেলিনি। তখন ফুটবলাররা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। আমি তো এখানে রাজনীতি করতে আসিনি, ফুটবল আমার কাছে ধর্ম। এই দলের সমর্থকদের অনেক আশা রয়েছে। সেই আশা পূরণের জন্য আমাদের সব বিভাগেই উন্নতি করতে হবে।”

Advertisements

Also Read | হাসপাতালে পরিণত টিম ইন্ডিয়া! বড় তদন্তে নামছে BCCI

কোচের সুরেই সুর মিলিয়েছেন ডার্বির নায়ক সাহাল আব্দুল সামাদ। জয়সূচক গোলটি স্ত্রীকে উৎসর্গ করে তিনি জানান, দলে অনেক নতুন ফুটবলার আসায় বোঝাপড়া গড়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।

অন্যদিকে, ডার্বি হারের যন্ত্রণা থাকলেও দলের লড়াকু মানসিকতায় আশার আলো দেখছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ হাবাস।

পুরনো দলের বিরুদ্ধে হেরে এই স্প্যানিশ ট্যাকটিশিয়ান বলছেন, “আমি এখনও সবাইকে সেভাবে চিনিই না। বিদেশিরা একটা সেশন মাত্র অনুশীলন করেছে। খেলার ফলাফলে হতাশ ঠিকই, তবে দ্বিতীয়ার্ধে যে ভাবে আমরা সাত-আটটা সুযোগ তৈরি করেছি, তাতে দলের লড়াইতে আমি খুশি।”

Also Read |  দলবদলের বাজারে বড় চমক! ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে পুরনো ডেরা ওড়িশাতে নন্দকুমার

লাল হলুদের আক্রমণের পথে এদিন বড় প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন হাবাসেরই পুরনো ছাত্র বিশাল কাইথ। বিশাল না থাকলে হয়তো ইস্টবেঙ্গলই জিতে মাঠ ছাড়ত বলে মনে করেন তিনি। তবে আর এক পুরনো ছাত্র শুভাশিস বসুকে হলুদ কার্ড দেখানো মানতে পারছেন না হাবাস। তাঁর মতে, শুভাশিসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল। সোমবারই ইস্টবেঙ্গলে আরও এক নতুন বিদেশি চলে আসছেন, যা দলকে আগামী দিনে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশাবাদী লাল হলুদ কোচ।